The Victorian Period (1832-1901)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Victorian Period শুরু হয় Queen Victoria এর নামানুসারে যিনি 1837 থেকে 1901 পর্যন্ত ইংল্যান্ড শাসন করেন।
- Charles Darwin এর On the origin of Species প্রকাশিত হবার ফলে এ যুগে বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে সংঘাত লক্ষ্য করা যায়।
- এ যুগকে উপন্যাসের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- Victorian যুগের 1848 সাল থেকে 1860 সাল পর্যন্ত সময়কে বলা হয় Age of the pre-Raphaelites.
- Victorian যুগের 1880 থেকে 1901 সাল পর্যন্ত সময়কে বলা হয় Age of Decadence.
- এ যুগের 1833 সালে Fabian Society প্রতিষ্ঠিত হয়। George Bernard Shaw এই সোসাইটির একজন সদস্য ছিলেন।
- Alfred Tennyson তাঁর "In memoriam", Lotos-Eaters, Ulysses কবিতার মাধ্যমে Victorian Period-কে অমর করেছেন।
- Robert Browning 'Dramatic Monologue' এর মাধ্যমে Victorian যুগের কবিতাকে উচ্চমার্গে নিয়ে গিয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো: My last Duchess, Andrea Del Sarto, Fra Lippo Lippi, Rabbi Ben Ezra ইত্যাদি।
- Matthew Arnold এর দূরদৃষ্টি, আশাবাদী দর্শন এবং pastoral Elegy ইত্যাদি প্রকাশ পায় তার Dover Beach, Thyrsis, Scholar Gipsy, Rugby chapel. কবিতাগুলোর মাধ্যমে।
Victorian Period এর ৩ জন প্রধান কবি
- Alfred Tennyson.
- Robert Browning
- Mathew Arnold.
মনে রাখার কৌশল: BAT
B=Browning
A=Arnold
T=Tennyson
Note: Victorian Period এর সবচেয়ে বিখ্যাত Novelist এর নাম Chasles Dickens.

Alexander Dumas (1802-1870)
Brief History: Alexander Dumas was born in 1802 in Puya France and died in 1870. He adopted the last name "Dumas" from his grandmother, a former Haitian slave. Dumas estab-lished himself as one of the most popular authors in France, known for plays and historical adventure novels such as "The Three Musketeers" and "The Count of Monte Cristo".
His well-known works :
- The Count of Monte Cristo
- The Three Musketeers
- Twenty Years After
- The Vicomte de Bragelonne: Ten Years Later
Alexander Dumas এর The Three Musketeers (Novel)
মনে রাখার কৌশল :
Dumas এর Mas থেকে Musketeers = The Three Musketeers

John Stuart Mill (1806 - 1861)
(জন স্টুয়ার্ট মিল)
- John Stuart Mill was an English philosopher, political economist and civil servant.
- তিনি United Kingdom Parliament এর সদস্য ছিলেন।
- তিনি "ব্যক্তি স্বাতন্ত্রবাদের" (liberalism) মূল প্রবক্তা
- তাঁর বিখ্যাত আর্টিকেল (Article) হলো Essay on Economics and Society.(1967)
Books:
- A System of Logic
- Theory of Liberty
- Colonialism
- Slavery
- Women's rights
- Utilitarianism (উপযোগবাদ)
- Economic philosophy

Elizabeth Barrett Browning (6 March 1806 - 29 June 1861)
Elizabeth Barrett Browning was one of the most prominent English poets of the Victorian era. Her poetry was widely popular in both Britain and the United States during her life-time.
She is remembered for such poems as "How Do I Love Thee?" (Sonnet 43, 1845) and Aurora Leigh (1856).
She died in Florence in 1861. A collection of her last poems was published by her husband shortly after her death.
হাউ ডু আই লাভ দি :
সারাংশ: স্বামীর প্রতি স্ত্রীর গভীর ভালোবাসা প্রকাশের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং এর এই সনেটটি। তাঁর স্বামী কবি রবার্ট ব্রাউনিংকে অবলম্বন করে এই কবিতাটি রচনা করেছেন তিনি। কবিতাটিতে কবি অনাবিল অকৃত্রিম ভালোবাসা দ্বীধাহীনচিত্তে প্রকাশ করেছেন। কবি বলেছেন যে, তিনি হঠাৎ করে স্বামীর প্রতি ভালোবাসার পরিমাণ বর্ণনা দিতে অপারগ। স্বামীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতই গভীর যে, তা তাঁকে গুণে বলতে হবে। তাঁর স্বামী যখন চোখের আড়াল হয়, তখনও তাঁর ভালোবাসা ঠিকই স্বামীর নিকট পৌঁছে যায়। কবির অন্তঃকরণ হতে ভালোবাসার মানুষ কখনোই আড়াল হয় না। প্রতিদিনের কাজকর্মে তাঁর এই ভালোবাসা যেন আষ্টেপৃষ্টে জড়িত। মানুষ যেমন সারা জীবন একটি আদর্শের জন্য সংগ্রাম করে, কবিও সে রকমভাবে স্বামীর প্রতি ভালোবাসা তাঁর অন্তরে লালন করেন। কবি বললেন যে, তাঁর এই ভালোবাসার কোনো সীমাপরিসীমা নেই। তাঁর নিঃশ্বাসে, প্রশ্বাসে এবং সব রকমের বিশ্বাসের মাঝে এই ভালোবাসা সদা জাগ্রত। কবি তাঁর স্বামীকে ভালোবাসেন শিশুকালের সরলতা এবং বৃদ্ধকালীন বেদনা দ্বারা, কারণ শিশুকাল হতে বৃদ্ধকাল পর্যন্ত তাঁর ভালোবাসা কখনোই ম্লান হবে না। মহান ঈশ্বর যদি চান, তাহলে কবি মরণের পরেও স্বামীকে এরকম একান্তভাবে মনেপ্রাণে ভালোবাসবেন।

Lord Alfred Tennyson (1809—1892)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i) Victorian যুগের নেতৃত্বস্থানীয় কবি ছিলেন Tennyson
ii) তিনি পরিচিত Representative Poet হিসেবে।
iii) He was a Lyric poet of the Victorian age.
iv) 1850 সাল তাঁর জীবনে স্মরণীয় বছর। কারণ ঐ সময়ে তাকে Wordsworth এর মৃত্যুর পর 1850 সালে তিনি England এর Poet laureate নির্বাচিত হন। (Poet Laureate- মানে 'সভাকবি'/ court poet of England), "ইন মেমোরিয়াম” কাব্যটি আত্মপ্রকাশ করেছিল এবং দাদা চার্লসের শালীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
v) টেনিসনের প্রথম কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮২৭ সালে। কাব্যটির নাম "পোয়েমস্ বাই টু ব্রাদার্স” “দুই ভাই" বলতে টেনিসন নিজে এবং টেনিসনের বড় ভাই চার্লস। উভয়েরই কবিতা নিয়ে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
vi) Much of his verse was based on classical mythological themes.
vii) Tennyson যখন Cambridge এর ছাত্র তখন তিনি Timbuctoo রচনা করেন।
viii) Timbuctoo রচনা করে তিনি Chancellor's Gold Medal লাভ করেন।
ix) এছাড়াও তিনি অধিক পরিচিত তার Melodious Language এর জন্য
x) তিনি Oxford University হতে Doctor of Law খেতাবে ভূষিত হন।
xi) তার লিখিত একটি নাটক হলো- Queen Mary.
xii) তিনি বিখ্যাত শোকগাথা কবিতা- In Memoriam রচনা করেন।
xiii) "Locksley Hall" কবিতার চরিত্রগুলো হলো- The Speakrer, His Father, His tyrannical uncle, His cousin Amy.
xiv) Morte D' Arthur" কবিতায় একটি পৌরানিক তরবারি হলো- Excaliber
xv) তিনি William Shakespeare কে "Dazzling Sun" উপাধি দিয়েছেন।
xvi) King Arthur এর গোলটেবিলের নাইটদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন- Sir Bedivere.
Famous Poems of Tennyson :
a) Oenone (“ডেথ অব ইনোনী" তাঁর আর একটি বৃহৎ কাব্য।)
b) Ulysses (ইউলিসিস, গ্রিক বীর) [গ্রিক পুরাণ নিয়ে তার লেখা বিখ্যাত কবিতা হচ্ছে "ইউলিসিস"।
c) Lotus Eaters (পদ্ম খেঁকো)
d) Locksley Hall
e) Tithonus (টিথোনাস)
f) Morte D' Arthur ("মরটে ডি আর্থার) (এই কবিতায় Excaliber তরবারির কথা বলা হয়েছে।)
g) In Memorium ("ইন মেমোরিয়াম") (বন্ধু আর্থার হ্যালামের মৃত্যুতে লিখা elegy)
h) English Idyll.
Alfred Tennyson এর কবিতা মনে রাখার কৌশল: Tithonus Lotus ফুল খেয়ে মনে করে Ulysses এর Memory অনেক ভাল।
- Tithonus = Tithonus
- Ulysses = Ulysses
- Memory = In Memorium (elegy)
Alfred Tennyson এর English Idyll মনে রাখার কৌশল :
Alfred - English; Alfred - English এভাবে কয়েক বার পড়লে মনে থাকবে Alfred Tennyson এর বিখ্যাত কবিতা হলো English Idyll.
Alfred Lord Tennyson এর বিখ্যাত গ্রন্থ Memoriam এর সার-সংক্ষেপ :
এক Anglican যাজকের চতুর্থ সন্তান Alfred Tennyson ছোটবেলা থেকেই কবি হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। Cambridge এ Arthur Henry Hallam নামক এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হয়। Hallam Tennyson কে তার কাজ প্রকাশে সহায়তা করে এবং পরবর্তীতে Tennyson এর বোনকে বিয়ে করে। Hallam এর মৃত্যুর পর Tennyson রোমান্টিকতার পরিবর্তে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, মৃত্যু, অমরতা ইত্যাদি ধারণাকে কেন্দ্র করে কবিতা রচনা শুরু করেন। বন্ধুর মৃত্যুর দুঃখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি একটি কবিতা রচনা করেন যা Memoriam নামে পরিচিত।
Alfread Lord Tennyson এর বিখ্যাত গ্রন্থ The Princess Bride এর সার-সংক্ষেপ :
গল্পের নায়িকা সুন্দরী Buttercup তাদের খামারের কর্মচারী Westley এর প্রেমে পড়ে যায় এবং বিবাহের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিয়ের পূর্বে Westley ভাগ্য অন্বেষণে আমেরিকা যাত্রা করলে পরবর্তীতে দস্যু কর্তৃক তার মিথ্যা মৃত্যুর সংবাদ Buttercup কে জানানো হয়। তাই সে Florin এর Prince Humperdinck এর বাগদত্তা হতে রাজী হয়। অন্যদিকে Westley ফিরে এসে Inigo এবং Fezzik এর সাহায্যে Buttercup কে বিয়ে করে এবং সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে থাকে।
Locksley Hall: কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি আলফ্রেড লর্ড টেনিসন তাঁর "Locksley Hall" কবিতায় একজন ব্যর্থ প্রেমিক যুবার অন্তরের মর্মবেদনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এ কবিতার প্রেমিক তারই মামাতো বোনের সাথে গভীর প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল। শেষে প্রেমিকা তার প্রেমিককে প্রত্যাখান করে। প্রত্যাখ্যাত এই প্রেমিক ছিল তার মামার আবাসগৃহ লক হলে আশ্রিত। নিজেকে সে এতিম এবং মামার আশ্রিত বলে উল্লেখ করেছে। প্রেমিক যুবা তার প্রেমিকার এই প্রত্যাখান এবং প্রেমিকার অন্য পুরুষকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাটাকে সইতে পারে না। হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে প্রেমিক যুবা তার হৃদয়ের হাহাকারকে মূর্ত করে তোলে এ কবিতায় প্রেমিক যুবা শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, সে সভ্য অবিবেচক মানব সমাজ হতে নিজেকে সরিয়ে নেয়াটাকেই উচিত মনে করেছে এই প্রেমিক যুবা। মোট কথা, টেনিসন তাঁর "লকস্লে হল” কবিতার দ্বারা সারা জগতের লাঞ্ছিত, ব্যথিত প্রেমিকজনদের হৃদয়ের আর্তি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।
Ulysses : কবিতার সারসংক্ষেপে :
হোমার কৃত মহাকাব্য 'ইলিয়াড' এর কাহিনি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে কবি টেনিসন 'Ulysses' কবিতাটি রচনা করেন। 'ইলিয়াড'-এর কাহিনি অনুযায়ী ট্রয় যুদ্ধের বীর ইউলিসিস, যুদ্ধ শেষে নিজ দেশে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তাঁর মাঝে ভাবান্তর জাগে। যে প্রিয়তমা পত্নীকে তিনি রেখে গিয়েছিলেন নব যৌবনা, গৃহে ফিরে তাকে দেখেন একজন পৌঢ়া হিসেবে। সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানো ইউলিসিসের আর রাজকার্যে মন বসে না। তিনি মনে করেন গৃহের মাঝে বসে অলস রাজার মতো রাজ্য চালনা আর তার পক্ষে সম্ভব হবে না। তার কানে আসে দূর দূর দেশের ডাক, তার রক্তে তখন অভিযানের উন্মাদনা। গৃহকোণ তার কাছে বদ্ধ খাঁচা মনে হতে থাকে। কপি টেনিসন আসলে ইউলিসিসের মনোবেদনা আর অজানাকে জানার আকুলতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। মানবাত্মা যেন বদ্ধ গৃহে আবদ্ধ থাকতে চায় না। মানবাত্মার এই যে বহির্মুখী চেতনা এটারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবি তাঁর 'ইউলিসিস' কবিতার মাধ্যমে।
একজন বীর যার মাঝে নতুনকে জানার দেখার প্রবণতা থেকে তিনি সমুদ্র পথে অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরেন। তার চলাকে বলা হয় A Journey for Knowledge.
The Lotus Eaters কবিতার সারসংক্ষেপ :
হোমারের অডিসি মহাকাব্যের নায়ক ইউলিসিস। ট্রয় যুদ্ধ শেষে তিনি দেশে ফেরার পথে জাহাজসহ নাবিকদের নিয়ে নানা বাধা বিপত্তির মুখোমুখি হন। আটকা পড়ে থাকেন নানা সময়ে নানা দ্বীপে। এভাবেই কাটতে থাকে বছরের পর বছর। তার সঙ্গী নাবিকেরা ঘরে ফেরার তরে আকুল। কিন্তু সহজে ফেরা হয় না তাদের। তাদের জাহাজ বার বার আটকে থাকে নানা বাধা বিপত্তির মুখে। এ কবিতায় সেই সব হতাশ নাবিকদের মনের আর্তির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে। কবি টেনিসন তাঁর এ কবিতায় ইউলিসিসের সঙ্গী নাবিকদের হৃদয়ের মর্মবেদনা এবং শেষে বাড়ি ফেরার চিন্তা হাল ছেড়ে দেয় আর অসহায় দিকটির অসাধারণ হাল ছেড়ে দিয়ে নিজ গৃহের আশা ত্যাগ করে নিজেরাই নিজেদের মাঝে সাহস সঞ্চয় করার চেষ্টা করছেন। তারা জানে, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত কিন্তু ফেরার কোনো পথ খোলা নেই। তাই তারা নিজেদের সান্ত্বনা দিচ্ছে এই বলে যে, শুধু অহেতুক বিলাপ করার কোনো অর্থ নেই, তার চেয়ে এই ভালো, এই সীমাহীন সমুদ্র, এই নির্জন দ্বীপ, তারার আকাশ, জলের কুলকুল ধ্বনি, উত্তাল তরঙ্গমালা এসব দেখে দেখেই সময় পার করে তারা। তারা ভাবে সময় তো অনেক পার হয়ে গেছে, তাদের স্ত্রী সন্তানদের কাছে তখন ফিরে গেলে তাদেরকে ওরা ভূত বলে সন্দেহ করবে, সন্তান আর পরিবারের শান্তি নষ্টের কারণ হবে তারা। তারা ভাবে যা ভেঙ্গে গেছে সেটা তেমনি থাক, তারা এই সীমাহীন সমুদ্রের এই দ্বীপে পদ্ম আহার করে প্রকৃতির শোভা নিরীক্ষণ করবে আজীবন। নাবিকরা কামনা করছে এখন একান্ত বিশ্রাম। তারা দেখেছে যুদ্ধ, হানাহানি, শুনেছে সমুদ্রের ভয়াল গর্জন, এবার আর তারা সমুদ্রে যেতে চায় না, যত দিন বেঁচে থাকবে তারা থাকতে চায় এই দ্বীপে, দৌড়ে বেড়াতে চায় শস্য ক্ষেতের ভেতরে, মিশে যেতে চায় প্রকৃতির সাথে, আর তারা নিজেদের যুক্ত করতে চায় না কঠোর শ্রমে। গৃহ আজ তাদের কাছে অতীত ইতিহাস। কোনোদিন হয়তো সেখানে ফেরা হবে না তাদের।
মোট কথা, কবি টেনিসন তাঁর 'লোটাস ইটার' কবিতায় ট্রয় যুদ্ধ ফেরত একদল নাবিকের অসহায়ত্বের নিকট তাদের সান্ত্বনা খোঁজার দিকটি পরম নিষ্ঠার সাথে মেলে ধরেছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Edgar Allan Poe (1809-1849)
- তাঁর জন্ম America তে
- Father of English Short story and Modern Detective Story
Famous short stories:
- The Black cat
- The Oval Portrait
- The Tell Tale Heart
- The Gold Bug
- The Light House
Famous Poem:
- To Helen
Edgar Allan Poe's Only novel:
The Narrative of Arthur Gordon Pym of Nantucket (A classic adventure story with supernatural)

Gladstone (1809 - 1898)
উপাধি:
Grand Old Man of Britain
(তবে ভারতীয় রাজনীতিক দাদাভাই নওরোজিকে Grand Old Man of India বলা হয়।)
Famous quote of Gladstone :
- "Justice delayed, Justice denied, Justice hurried, Justice buried."
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

William Makepeace Thackeray (1811-1863)
Brief History :
He was an English novelist of the 19th century. He was famous for his satirical works, particularly Vanity Fair, a panoramic portrait of English society.
His well-known works :
- Catherine
- A Shabby Genteel Story
- Vanity Fair (novel)
- Pendennis
- Men's Wives
- The Newcomes
- The Rose and the Ring
- The Virginians
মনে রাখার কৌশল :
Thackeray তার wife, Catherine এর জন্য Vanity Fair থেকে New-Ring আর Rose নিয়ে আসল।
- Wife Men's wives
- Catherine = Catherine
- Vanity Fair = Vanity Fair
- New The Newcomes
- Ring = The Rose and Ring

Robert Browning
Robert Browning is the poet of the "Victorian Age" Browning was the composer of Andrea del Sarto.
Famous works:
- The Patriot
- Rabbi Ben Ezra
Robert Browning (7 May, 1812-12 December, 1889) was an English poet and playwright whose mastery of dra-matic verse, especially dramatic monologues, made him one of the foremost Victorian Poets.
রবার্ট ব্রাউনিং তার ড্রামাটিক মনোলগের (Dramatic Monlogue-একটি বর্ণনামূলক কবিতা যেখানে একটি মাত্র চরিত্র থাকে) জন্য বিখ্যাত।
In Florence, probably from early in 1853, Browsing working on the poems that eventually comprised his two-volume "Men and Women" for which he is now well known. In 1855 however, when these were published, they made relatively little impact.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Robert Browning হলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম আর একজন বিখ্যাত লেখক।
- তিনি হলেন The innovator of dramatic monologue/ the father of dra-matic monologue.
- তার স্ত্রীর নাম Elizabelt Barret Browning, যিনিও ছিলেন একজন কবি।
- Browning এর Men and Women বইটি বিখ্যাত এর Blank Verse ও Dramatic Monologue এর জন্য।
- Browning বলেছিলেন “Italy was my university.”
- The Return of the Druses ও Colombo's Birthday হয় তার লিখিত দুটি নাটক।
- Browning এর বিখ্যাত কবিতাগুলো হলো My Last Duchess, Porphyria's Love, A Grammarian's Funeral, Fra Lippo Lippi.
- "My last Duchess" [মাই লাস্ট ডাচেস]
- "The Last Ride Together" [দ্যা লাস্ট রাইড টুগেদার]
- "A Grammarian's Funeral"
- "Andrea Del Sarto" [আন্ড্রেয়া ডেল সারটো]
- "One Word More"
- "The Pied Piper of Hamelin" [দ্যা পাইড পাইপার অব হেমলিন]
- "Rabbi Ben Ezra" [রাব্বি বিন ইজরা]
- "Porphyria's Love" [পোরফিরিয়াস লাভ]
- "Fra Lippo Lippi" [ফ্রা লিপো লিপি]
- "Two In the Campagna"
- "Love Among The Ruins"
- The Patriot
A Grammarian's Funeral কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর "A Grammarian's Funeral" কবিতায় একজন মহান পণ্ডিতের শবদেহ বহন করে নিয়ে যাওয়া এবং শববাহকদের এই পণ্ডিতজনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের দিকটি তুলে ধরেছেন। শববাহক দল এই পণ্ডিত ব্যক্তির শবদেহ বহন করে নিয়ে যেতে যেতে এই মহান সুধী জনের নানা গুণাবলী এবং ব্যক্তিজীবনে তাঁর আচার আচরণ, তাঁর জ্ঞান সাধনা ও জ্ঞান তৃষ্ণা সবই বর্ণনা করছে। এখানে এই মহান পণ্ডিতজনকে মানবের বিবেক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যিনি জাগতিক সব কামনা বাসনা হতে ছিলেন পুরোপুরি মুক্ত। জগৎ সংসারের হানাহানি, সংঘাত, সম্পদ, লিপ্সা, কিছুই স্পর্শ করেনি তাঁকে, তিনি সর্বদা নিরলস জ্ঞানের চর্চা করে গেছেন। জীবনযাপনের অর্থ তিনি উপলব্ধি করেছিলেন গভীরভাবে। হীনতর মানুষেরা আজীবন কাটায় লোভ লালসার মাঝে, জ্ঞানের দুয়ার রুদ্ধ থাকে তাদের জন্য কিন্তু এই পণ্ডিত সর্বদা খুলে রেখেছেন তাঁর জ্ঞানের দরজা। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি থেকেছেন জ্ঞানান্বেষণে ব্যস্ত। মোট কথা কবি এখানে একজন জ্ঞানী পণ্ডিতজনের জীবনযাত্রা ও চিন্তা-চেতনা শববাহক দলের মুখ থেকে পরিস্ফুট করেছেন।
Andrea del Sarto কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর "Andrea del Sarto" কবিতাটি রচনা করেছেন ইতালির বিখ্যাত চিত্রকর 'আন্দ্রেয়া ডেল সার্টোর' জীবন কাহিনি অবলম্বন করে। এই খ্যাতিমান চিত্রকর রাফায়েল ও মাইকেল এঞ্জেলোর সাথে কাজ করেছেন। এ কবিতায় শিল্পী সার্টোর জীবনের মর্মস্পর্শী একটি দিক উন্মোচিত করার প্রয়াস পেয়েছেন কবি। সার্টো লুক্রোসিয়া নামে এক রূপসী রমণীকে বিয়ে করে তার প্রতি খুব বেশি অনুরক্ত হয়ে পড়েছিল। এ রমণী কিন্তু সার্টোকে ভালোবাসতো না মোটেই শুধু স্বার্থ আদায় করে নিত। সার্টোর উপার্জিত সকল সম্পদ কুক্ষীগত করত সে। লুক্রেসিরা গোপনে তার এক মামাতো ভাইকে ভালোবাসতো। লুক্রেসিয়া একবার আবদার করে তার প্রেমিক ভাইয়ের জন্য বেশ ক'টি ছবি এঁকে দেয়ার জন্য। এর জন্য তাঁর পত্নী তার সাথে খারাপ আচরণ করার অনুপ্রেরণা, তুমি তোমার প্রেমিকের কাছে যাও আপত্তি নেই, তুমি শুধু আমার পানে তাকিয়ে মধুর হাসি বিলিও। ব্রাউনিং তাঁর এ কবিতায় একজন মহৎ শিল্পীর ভেতরের শিল্পী সত্তার এক চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এত বেদনাদায়ক ঘটনার পরেও শিল্পী তাঁর পত্নীর হাসিটির মর্যাদা দিয়েছেন, এটা একজন শিল্পীর পক্ষেই সম্ভব।
Fra Lippo Lippi কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর "Fra Lippo Lippi" কবিতায় মঠের সাধু হিসেবে পরিচিত একজন বিখ্যাত চিত্র শিল্পীর শহরের নৈশ প্রহরীর হাতে ধরা পড়ার চিত্র তুলে ধরেছেন। চিত্রকর লিপ্পো শহরের বারবণিতার পাল্লায় পড়ে গিয়ে নৈশ প্রহরীর হাতে ধরা পড়ে। প্রহরীর হাতে ধরা পড়ার পর সে প্রহরীকে তার নিজের জীবন কাহিনী শোনায়, শোনায় কীভাবে অযত্নে অবহেলায় কেটেছে তার শৈশব। একজন চিত্রশিল্পী হিসেবে বিপুল খ্যাতি অর্জন করার পরও সে অভিজাত সমাজে উঠতে পারেনি। গির্জার দেয়ালে ছবি আঁকতে গিয়ে লিপ্পো মানবিক দিকের প্রকাশ ঘটিয়ে মঠের সাধুদের বিরাগভাজন হন। লিপ্পো প্রহরীকে বলে, সাধুজনেরাই জগতে অপরাধী সাব্যস্ত হয় আর দৃষ্টেরা পার পেয়ে যায়। মোট কথা, কবি এখানে লিপ্পোর মর্ম বেদনার রূপকে অবহেলিত সৎ মানুষের যাতনার দিকটি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।
Robert Browning এর বিখ্যাত গ্রন্থ Christmas Eve and Easter Day এর সার-সংক্ষেপ :
কল্পনাধর্মী কবিতা Christmas Eve এ বর্ণনাকারীকে প্রচলিত ধর্ম মতে অবিশ্বাসীদের রোমের st. Peter's চার্চে এবং পরবর্তীতে Gottingen থিয়েটার নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি একজন সমালোচনাকারীকে খ্রিষ্টান ধর্মীয় পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করতে দেখেন। অতঃপর তাকে পুনরায় অবিশ্বাসীদের চার্চে ফিরিয়ে আনা হয়। অন্যদিকে "Easter-day" কাব্যে ধর্মীয় বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে একজন খ্রিষ্টান ও সন্দেহবাদী লোকের বিতর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
দ্য পেট্রিয়ট সারাংশ:
'প্রেট্রিয়ট' একটি চমকপ্রদ নাটকীয় কবিতা। কবি এখানে দেশপ্রেমিক ও জাতীয় বীরদের প্রতি সাধারণ জনগণের মনের পরিবর্তনশীলতা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সাধারণ জনগণ যেমন দেশপ্রেমিকদেরকে সর্বোচ্চ শিখরে স্থান দিতে পারে, তেমনি মাটিতেও মিশিয়ে দিতে পারে।
কবি একজন দেশপ্রেমিকের ভাষ্যে কবিতাটি বর্ণনা করেছেন। এক বছর পূর্বে রঙ্গিন ফুল দিয়ে তাঁর আগমনকে বরণ করা হয়েছিল। তখন গির্জার চূড়াগুলোতে পতাকা টানানো ছিল এবং তাঁকে এক নজর দেখার জন্য মানুষ বাড়ির ছাদে পর্যন্ত উঠেছিল। বংশী বাজিয়ে তাঁর আগমন ঘোষিত হয়েছিল। মানুষের মাঝে কী যে উন্মাদনা! তখন জনগণ তাঁর জন্য যে কোনো কিছু করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু এখন সব কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে। তাঁর 'অকর্মের' জন্যে তাঁকে পেছনে হাত বেঁধে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হচ্ছে। কেউ তাঁকে এখন আর স্বাগত জানায়নি বরং পাথর ছুঁড়ে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। কী দুর্ভাগ্যবান সে, যে তাঁর সারাটি জীবন দেশের মানুষের জন্য ব্যয় করেছেন।
এই দুঃখের মাঝেও দেশপ্রেমিক তাঁর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। মৃত্যুই সবকিছুর শেষ নয়। সে আশা করে যে, যেহেতু বাস্তব পৃথিবীতে কৃতকর্মের জন্য সে কোনো পুরস্কার পায়নি, সেহেতু ঈশ্বর তাঁকে পরকালে অবশ্যই পুরষ্কৃত করবেন।

Charles Dickens
Charles Dickens is a great novelist.
Famous works:
- Great Expectations
- David Copperfield
- A Tale of Two Cities
- James Joyce
- The pickwick papers
- Oliver Twist
চার্লস ডিকেনস, ভিক্টোরিয়ান পিরিয়ডের সবচাইতে প্রতিভাবান এবং জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তার রচনাগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Charles Dickens হলেন Victorian যুগের একজন শক্তিমান উপন্যাসিক।
- তার প্রথম বই হলো "Sketches By Boz".
- তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো- "Great Expectation".
- এছাড়াও তার অন্যান্য কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো- Pickwick Papers, Oliver Twist, David Copperfield, Hard Times, A Tale of Two Cities.
- Great Expectations উপন্যাসের বিখ্যাত একটি লাইন হলো- Charity begins at home and justice begins next door.
- Great Expectations উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- Pip, Estella, Miss Havisham etc.
নিম্নে তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস গুলোর নাম সাল অনুযায়ী দেয়া হলো-
i) Great Expectations (গ্রেট এক্সপেকটেশন) তার রচিত সবচাইতে জনপ্রিয় উপন্যাস।
ii) The Adventures of Oliver Twist [দ্যা এডভেনচার অব অলিভার টুইস্ট। [1837-1839] (একটি বালকের দুর্বিষহ জীবন কাহিনী)
iii) The Old Curiosity Shop [দ্যা ওল্ড কিউরিসিটি সপ; [1840-1841]
iv) David Copperfield [ডেভড কপারফিল্ড] [1849-50] (autobiography) (আত্মজীবনীমূলক; সৎবাবার নির্মম নির্যাতনের কাহিনী)
v) A Tale of Two cities ['আ টেইল অব টু সিটিস'; 1859] এই উপন্যাসটি লিখা হয়েছে যে দুটি শহরের কাহিনী নিয়ে সেগুলোর নাম হচ্ছে লন্ডন এবং প্যারিস; ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষিতে লেখা।
vi) The Pickwick Papers (1812-1870)
vii A Christmas Carol
viii) Hard Times
ix) The Bleak House
Charles Dickens এর উপন্যাস মনে রাখার কৌশল :
Oliver অনেক বড় প্রত্যাশা নিয়ে Christmas এর দিনে David এর সাথে দেখা করার জন্য দুই শহরে গেল। David সেখানে Bleak house মধ্যে hard time pass করছে।
Oliver = Oliver Twist
বড় প্রত্যাশা = Great Expectation
Christmas = A Christmas Carol
David = David Copperfield
দুই শহর = A Tale of Two Cities(London, Paris City)
Bleak house = Bleak House
Hard Time = Hard Times
আ টেইল অভ টু সিটিজ :
A Tale of Two Cities (1859) চার্লস ডিকেন্সের দ্বিতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম হলো Barnaby Rudge (১৮৪০-১৮৪১)। ডিকেন্স এই বইটির মূল ঐতিহাসিক দৃশ্য ও ঘটনাগুলো কার্লাইলের ফরাসী বিপ্লবের ওপর লিখিত বই থেকে গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে বাস্তিল পতন ও বৃদ্ধ ফাউলনের হত্যাকাণ্ডের আখ্যান কার্লাইলের গ্রন্থ থেকে সরাসরি নেয়া হয়েছে। পুরো উপন্যাসটি জুড়ে ফরাসী বিপ্লবের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা ব্যাপ্ত হয়ে আছে যেখানে মূল গল্প ডা: ম্যানেট, লুসি, চার্লস ডারনে ও সিডনি কারটনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। লুসির প্রতি অপ্রতিরোধ্য ও গভীর প্রেম সিডনি কারটনকে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে অনুপ্রাণিত করেছে এবং এই আত্মত্যাগ পুরো উপন্যাসটিকে এক অদ্ভুত তাৎপর্যময় দ্যোতনা দিয়েছে। অন্যান্যদের মধ্যে মসিয়ে দেফার্জে যারা দুজনেই ফরাসী বিপ্লবেই শুধু নয়, উপন্যাসের চরিত্রগুলোর জীবনের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
গ্রেট এক্সপেকটেশন্স :
মা বাবা হারা অনাথ বালক পিপ। তিন কূলে তার কেউ নেই, শুধু একটি মাত্র বোন ছাড়া। বোনের পরিবারেই সে আশ্রিত। বোনটি আবার খুব মুখরা স্বভাবের। পিপের উপর তার নির্যাতন ছিল একটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। পিপের ভগ্নিপতি কিন্তু খুবই ভালো মানুষ। পিপের প্রতি তার ছিল যথেষ্ট সমবেদনা। পিপ একদিন সন্ধ্যাবেলায় তার মা বাবার কবরের কাছে খেলতে গিয়ে জেল পালানো এক কয়েদির মুখোমুখি হয়। কয়েদির জন্য বাধ্য হয়ে সে খাবার চুরি করে বোনের বাড়ি থেকে। এ ঘটনায় একটি বিরুপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার কিছুদিন পরে গ্রামেরই এক চিরকুমারী, কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা পিপকে তার বাড়িতে গিয়ে খেলাধূলার আহ্বান জানায়। সেখানে সে এস্টেলা নামক এক বালিকার সাথে পরিচিত হয়। এ বালিকা পরবর্তীতে পিপের জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এর মাঝে হঠাৎ করেই এক সময় পিপের সামনে ভবিষৎ সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যায়। সেই জেল পালানো কয়েদি পিপকে ভদ্রলোক বানানোর জন্য সব রকম দায়িত্ব গ্রহণ করে। পিপ চলে আসে শহরে সেখানে সে পরিচিত হয় সমাজের নানা স্তরের মানুষের সাথে। চলতে থাকে এস্টেলার সাথে ভালোবাসার টানাপোড়ন। পিপ তখন ধনাঢ্য হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। হঠাৎ করেই একদিন পিপের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ধরা পড়ে জেল পালানো আসামী। জেলখানায়ই মৃত্যু হয় তার আর পিপের স্বপ্ন উবে যায় কপূরের মতো। উপন্যাসে যেমন আছে হাস্যরস, তেমনি ব্যথা বেদনার সংঘাত আর নাটকীয়তা। বিচিত্র সব মানুষের আনাগোনায় পূর্ণ এ কাহিনী।
নানা বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে পিপ যখন শেষে গ্রামে ফিরে আসে তখন এস্টেলার সাথে তার মিস হাভিশামের পরিত্যক্ত বাগানে দেখা হয়। সেখানে আবার তারা একত্রিত হয়। এস্টেলা নিজের ভুল বুঝতে পারে। পিপ ও এস্টেলা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
Great Expectations
- Philip Pirrip (Pip) – উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ও বর্ণনাকারী (narrator)
- Miss Havishan – স্বাস্থ্যবতী খিটখিটে বৃদ্ধ মহিলা। Pip এর গ্রামের কাছেই Satis House এ বাস করেন।
- Estella - Miss Havishan এর প্রতিপাল্য (ward) যে মাঝে মাঝে Pip কে বন্ধু বলে বিবেচনা করে।
'অলিভার টুইস্ট' :
এ আছে এক অজ্ঞাতকুলশীল দুর্ভাগা বালকের কথা। অনাথ আশ্রমের অমানবিক অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে, ছেলেটি পালাল লন্ডনে। কিন্তু পড়ল চোরদের পাল্লায়। চোরের দল তাকে বাধ্য করল চুরিবিদ্যা শিখতে। চুরি করতে গিয়ে সে আহত হয়। ঐ দলেরই এক মেয়ে ন্যান্সির চেষ্টায় জানা গেল তার প্রকৃত পরিচয়। শেষ পর্যন্ত সে আশ্রয় পেল দয়ালু বার্ডনলোর কাছে। চোরেরা পেল শাস্তি। উপন্যাসে তৎকালীন লন্ডনের সামাজিক জীবন, বিশেষ করে নিচুতলার বাসিন্দাদের বাস্তব জীবন পরিচয় যেমন রয়েছে, সেই সঙ্গে রয়েছে লেখকের গভীর সহানুভূতি। ফলে অলিভারের দুঃখ পাঠককে নাড়াচাড়া দেয় এবং চিত্রগুলিও এই সহানুভূতি লাভে সজীব হয়ে ওঠে।
'অলিভার টুইস্টে'র যেমন রয়েছে অনাথ আশ্রমের অত্যাচারের চিত্র, তেমনি 'নিকোলাস নিক্সবি'তে রয়েছে স্কুলের কথা। এই কাহিনীও ডিকেন্সের জীবন থেকে নেওয়া। ভাগ্যবিড়ম্বিত নিকোলাস পিতার মৃত্যুর পর তার মা ও বোনকে নিয়ে একেবারে অথৈ সমুদ্রে পড়ল। দ্বারস্থ হলো অহংকারী, স্বার্থপর কাকার। কাকা নিকোলাসকে পাঠিয়ে দিল এক অনাথ বিদ্যালয়ে।
সেখানে অমানুষিক অত্যাচারের হাত থেকে উদ্ধার পেতে ওখানকার এক রোখা ছেলে স্পাইক সহ নিকোলাস পালাল। রোগে ও আতঙ্কে স্পাইক মারা গেল। অক্লান্ত অধ্যাবসায়ের মধ্য দিয়ে অবশেষে ভাগ্যের আর্শীবাদ সে লাভ করল এবং দুঃখ ও দুর্দশার হাত থেকে মা বোনকে উদ্ধার করল। ডিকেন্সের শৈশব জীবনের দারিদ্র ও অনাথ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নামে লাঞ্ছনা ও অত্যাচারের চিত্র উপন্যাসটিতে উপস্থিত।
'দ্য ওল্ড কিউরিয়সিটি শপ' :
উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে আর এক দুর্ভাগা জীবনের ইতিকথা। বালিকা নেল ও তার ঠাকুরদার জীবনের করুণ ছবি। নেল তার দাদুর সঙ্গে পুরানো জিনিসের দোকান দেখাশুনা করত। দারিদ্রের জন্য দাদু ডানিয়েল কুইলপ নামে এক দুর্বৃত্ত ধনীর কাছে ঋণ করলেন। দেনার দায়ে দোকান হলো বাজেয়াপ্ত। বৃদ্ধসহ নাতনি আশ্রয় নিল গ্রামের গীর্জায়। শেষ পর্যন্ত অভাবের তাড়নায় মারা গেল। কিছুদিন পর দাদুও তাকে অনুসরণ করলেন। সুখ ও দুঃখ, স্বপ্ন ও কল্পনা নিয়ে বালিকা নেল মনোজ্ঞ হয়ে উঠেছে। নেলের দুঃখ ও মৃত্যু পাঠক হৃদয় ব্যথিত করে। সমাজের শুধু 'কু' নয়, 'সু' ও 'কু' মিলিয়ে সকল মানুষের কথাই তিনি বলেছেন।
'ডেভিড কপারফিল্ড' :
উপন্যাসটি অনেকটা আত্মজীবনীমূলক। অবশ্য ডিকেন্সের বেশীর ভাগ উপন্যাসের মধ্যেই তিনি নিজেকে ভেঙ্গে দেখিয়েছেন। আপন জীবনের অতীত অধ্যায়সমূহ থেকেই নিয়েছেন উপন্যাসের ঘটনা ও চরিত্র। পিতার মৃত্যুর পরই ডেভিড কপারফিল্ডের জন্ম। দুঃখ ও কষ্ট নিত্যসঙ্গী। মা দ্বিতীয়বার বিবাহ করলেন এক দুষ্ট লোককে, নাম মার্ডস্টোন। ডেভিড ও তার মা দুজনেই এর লাঞ্ছনার শিকার হলেন। অল্পদিন পরেই মা মারা গেলেন। ডেভিডকে পাঠানো হলো এক বেতমারা স্কুলে। শিক্ষার নামে সেই অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে ডেভিড পালাল লন্ডনে। দীর্ঘ সংগ্রামের শেষে এল প্রতিষ্ঠা। স্বীকৃতি এল লেখকরূপে। জীবনে এই দুঃখের চিত্রের পাশাপাশি স্নেহময়ী ধাত্রী পেগটি, সদাপ্রফুল্ল, মিকবার মধুরস্বভাব আগ্নিস ডেভিডের জীবনে যেন স্বর্গীয় সান্ত্বনা।
'ব্লিক হাউস' :
উপন্যাসটিতে সেকালের (সম্ভবত সর্বকালের) আদালতের বিচিত্র-বিচার-ব্যবস্থার প্রতি রয়েছে তীক্ষ্ণ বিদ্রূপ। বিচারের দীর্ঘসূত্রতা এবং বিচার-প্রত্যাশী বাদী-বিবাদীর সাধ্যাতিরিক্ত অর্থব্যয় যে বিচার-প্রত্যাশীর জীবনে কষ্ট ও হতাশাই নিয়ে আসে, দীর্ঘসূত্র বিচার যে অবিচারেরই সামিল সেই কথাই লেখক বলেছেন। ভালমন্দ নানা চরিত্রের মধ্য দিয়ে সমাজের বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসটিতেও ফুটে উঠেছে। রিচার্ড কারসটোন নামে এক সাধারণ যুবক ও তার মধুর স্বভাব জ্ঞাতিবোন ক্লেয়ার এই দুজনে 'জান্ডাইস এন্ড জারনডাইস' প্রতিষ্ঠানের এক সম্পত্তির বিলি-ব্যবস্থা নিয়ে মামলায় বিবাদী পক্ষ। এই মামলা এত দীর্ঘদিন ধরে চলছিল যে তা এদের কাছে ভাগ্যের নিষ্ঠুর কৌতুকের ব্যাপারে হয়ে উঠল। লাভ হলো এর সঙ্গে জড়িত পেশাদারী মানুষগুলোর- উকিল, মুহুরীদের। মামলা মিটলে এই সম্পত্তি পাবে একথা ভাবতে ভাবতেই রিচার্ড অসুস্থ হয়ে পড়ল, মারা গেল। আকস্মিকভাবে যখন মামলা একদিন শেষ হলো, জানা গেল সেই মামলার খরচ মেটাতেই ঐ বিতর্কিত সম্পত্তি বিকিয়ে গেছে।

Charlotte Bronte
Charlotte Bronte was born in 1816 in England and died in 1855. She was an English novelist and a poet. She was the eldest of the three Bronte sisters who survived into adulthood. Her novels have become classics of English literature. She first published her famous novel 'Jane Eyre' under the pen name 'Currer Bell'.
Her pen-name was "Currer Bell" and she wrote "Jane Eyre" under the pen-name, Currer Bell.
মনে রাখুন: তিন বোন, যারা বিখ্যাত সাহিত্যিক ছিলেন:
1.Emily Bronte
2.Charlotte Bronte
3.Ammey Bronte
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Victorian যুগের একজন বিখ্যাত মহিলা উপন্যাসিক হলেন Charlotte Bronte.
- তার আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস- Jane Eyre.
- Charlotte Bronte এর জীবনী নিয়ে লিখিত বই হচ্ছে- The Life of Charlotte Bronte.
- The Life of Charlotte Bronte এর লেখক হচ্ছেন Mrs. Gaskell.
- Charlotte Bronte-এর বোন হচ্ছেন Emily Bronte যিনিও ছিলেন একজন উপন্যাসিক।
- Emily Bronte এর উপন্যাস হলো Wuthering Heights.
- Charlotte Bronte ও Emily Bronte দুই বোনই প্রভাবিত হয়েছিলেন Wordsworth, Byron এবং Scott এদের দ্বারা।
- Charlotte Bronte এর Pen Name হচ্ছে Currer Bell এবং এই নামেই তিনি Jane Eyre উপন্যাস প্রকাশ করেন।
- Jane Eyre উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- Jane Eyre, Rochester.
- Jane Eyre উপন্যাসের বিখ্যাত একটি লাইন হলো- Millions are condemned to a stiller doom than mine, and millions are in silent revolt against their lot.
- Charlotte Bronte এর উপন্যাসগুলো হলো- Shirly, Villette, The Profess.
Novels : Jane Eyre, Villette, Shirley, The Professor (written before Jane Eyre). Her first novel: The Professor.

Emily Bronte (এমিলি ব্রন্টি) (1818-1848)
Emily Bronte জন্মগ্রহণ করেন ১৮১৮ সালে এবং মৃত্যুবরণ করে ১৮৪৮ সালে। তার মানে তিনি মাত্র ত্রিশ বছর জীবিত ছিলেন। এ সংক্ষিপ্ত সময়ে তিনি তাঁর একমাত্র উপন্যাসটি রচনা করেন। নাম Wuthering Heights | তিনি ১৮৪৮ সালে মৃত্যুর মাত্র এক বছর আগে এটি রচনা করেন।
Wuthering Heights
- Healthcliff - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
- Edgar Linton - Catherine এর স্বামী এবং Healthcliff এর প্রতিদ্বন্দ্বী।
- Cathy Linton - Catherine ও Edgar এর কণ্যা।
- Lockwood - Healthcliff এর ভাড়াটিয়া। উপন্যাসে তার ভূমিকা outsider এর মত।
- Catherine Earnshaw
- ক্ষিপ্র জেদী মহিলা। Edgar Linton এর স্ত্রী।

Karl Marx (কার্ল মার্ক্স) (1818-1883)
- সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা (The father of Socialism) কার্লমার্ক্স ১৮১৮ সালে জার্মানিতে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমাজতান্ত্রবিদ ও সাংবাদিক।
- তিনি স্থায়ীভাবে England এ বসবাস করেছেন এবং সেখানেই ৬৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।
- তার বিখ্যাত থিওরী Marxism যা সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতি এই তিনের সমন্বয়ে তৈরি। তার গুরুত্বপূর্ণ থিওরী বা তত্ত্বসমূহ হলো Value, Surplus value, commodity
- তিনি শ্রেণি সংগ্রাম তত্ত্বের প্রবক্তা
Notable works:
- তার রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ Das Capital (গ্রন্থটি সমাজতন্ত্রের বাইবেল নামে পরিচিত।)
Famous Quotes
- The history of all previous societies has been the history of class struggles (মানব সংগ্রামের ইতিহাস মূলত শ্রেণি সংগ্রামের ইতিহাস।)
- Man make their own history (মানুষ তার নিজের ইতিহাস তৈরি করে।)
- Religion is opium to the people.
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

George Eliot (1819-1880)
Mary Anne Evans, who wrote under the pseudonym George Eliot, was born on November 22, 1819, at South Farm, Arbury Hall in Warwickshire. She passed away in her sleep on December 22, 1880, and was buried next to her lifelong companion, George Lewes.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- George Eliot হলেন Victorian যুগের অন্যতম আর একজন বিখ্যাত মহিলা ঔপন্যাসিক।
- তার Real Name হলো Mary Ann Evans.
- তিনি তার Pen Name -George Eliot এই নামে লিখতেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো- Silas Marner.
- Silas Marner উপন্যাসের আরেকটি নাম হলো- The Weaver of Raveloe.
- Silas Marner উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো- Silas Marner, Eppie, William Dane etc.
তার বিখ্যাত Novels হলো:
- Adam Bede, 1859
- The Mill on the Floss, 1860
- Silas Marner, 1861
- Romola, 1863
- Felix Holt, the Radical, 1866
- Middlemarch, 1871-72
- Daniel Deronda, 1876
- The Spanish Gypsy
George Eliot এর বিখ্যাত গ্রন্থ Middlemarch এর সার সংক্ষেপ :
বৃদ্ধ পণ্ডিত Casaubon কে Middlemarch শহরের সুন্দরী তনয়া Dorothea Brodka একটি মহৎ কার্য বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বিয়ে করেছিলে। কিন্তু তার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় এবং তাদের দাম্পত্য জীবন নিরানন্দে পরিণত হয়। অন্যদিকে Brooke এর সাথে Casaubon এর তরুন সুদর্শন চাচাতো ভাই Willadislaw এর বন্ধুতে Casaubon ঈর্ষান্বিত হন এবং Will কে বিয়ে করলে Brooke-কে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার ঘোষণা দেন কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা বিয়ে করে সুখে-শান্তিতে জীবন-যাপন করতে থাকে।
Silas Marner : Story in Brief (সাইলাস মারনার গল্প সংক্ষেপ)
There is a liner-weaver in Lantern Yard Silas Marner by name. He belongs to the Methodist sect of Christianity and used to be a deeply religious man. But he is falsely accused of having stolen a clergyman's money. So he has migrated to a distant village called Raveloe. Here he has settled down as a linen-weaver in a cottage situated at some distance from the village but close to a site called Stone-pit. His only passion is to hoard gold and money. But his possession is stolen by Dunstan Cass. So he behaves madly. He seeks for his treasure but fails. Instead of his money and gold, he gets an orphan girl, Eppie. Eppie is being nourished by Silas as his own daugh-ter with the help of Dolly Winthrop. Actually, she is the daughter of Godfrey Cass and Molly Farren. Her father and step-mother, Nancy Lammeter try to take her back. But she refuses this proposal. She does not want to spare her father, Silas Maraer. She loves Aaron Winthrop and ulti-mately they are married.

Sir Richard Francis Burton (1821-1890)
- One of the most celebrated of all his books is his translation of The Book of the Thousand Nights and a Night (commonly called The Arabian Nights. (আলিফ লায়লা). It is an Arab folk story of Banjamin.
- Burton was a captain in the army of the East India Company
- Perhaps Burton's best-known book is his translation of The Kama Sutra.

Mathew Arnold(1822-1868)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Mathew Arnold ছিলেন Victorian যুগের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ Poet (কবি) Critic (সমালোচক)।
- তিনি Classical Literature পড়াশুনা করে চমৎকারিত্ব দেখান এবং Newdigate Prize লাভ করেন।
- তিনি the inspector of School হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- এছাড়াও তিনি Oxford University-তে ৫ বছরের জন্য A Professor of Poetry হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন যা পরবর্তীতে আরো ৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
- তার ভাই কানার্কের মৃত্যুতে লিখিত Elegy``Heine`s Grave"
- Charlotte Bronte এর মৃত্যুতে রচিত তার Elegy হলো “Howarth's Churchyard”
- ক্লাফের মৃত্যুতে রচিত তার Elegy হলো “Thyrsis”
- Arnold তার বাবার মৃত্যুতে লিখেছিলেন "Rugby Chapel" শোককবিতা (Elgy).
- "The Scholar Gipsy", "Dover Beach", "Thyrsis" এগুলো হলো তার বিখ্যাত কবিতা।
- তার সাহিত্য সমালোচনামূলক বিখ্যাত গ্রন্থ হলো The study of poetry.
- The Study of Poetry বইয়ের কয়েকটি বিখ্যাত লাইন হলো- (a) Poetry is at bottom a criticism of life. (b) Even science will appear incomplete without poetry.
Mathew's Major Poems :
- The Forsaken Merman
- The Scholar Gipsy
- Dover Beach
- Rugby Chapel Thyris
- His literary criticism: The Study of Poetry
Thyrsis কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর "Thyrsis" কবিতাটি তাঁর অকাল প্রয়াত বন্ধু ও সহপাঠী আর্থার ক্লোগ এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচনা করেছেন। আর্থার ক্লোগ ছিলেন তাঁর অক্সফোর্ডের সহপাঠী। সে সময়ে অক্সফোর্ডের আশপাশের এলাকাগুলোতে ছিল গ্রাম্য পরিবেশ। প্রকৃতির অফুরন্ত সম্ভার ছড়ানো ছিল চারপাশে। পাশে টেমস নদী-বনাঞ্চল, ছোট ছোট গ্রাম আর একটি পাহাড়। এসব জায়গাগুলোতে কবি তাঁর এই বন্ধুকে নিয়ে নিয়মিত বেড়াতে যেতেন। উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করেন তাঁর চির পরিচিত সেই প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো আর নেই। নগরায়ণের চাপে সেগুলো যেন কোথায় হারিয়ে গেছে, কিন্তু তাঁর বন্ধুর স্মৃতি যেন আজও ঘিরে রেখেছে এই স্থানগুলো। কবি এই জায়গায় পরিভ্রমণ করতে করতে স্মরণ করেছেন তাঁর প্রয়াত বন্ধুর কথা। কবি মনে করেন তাঁর বন্ধু যেন আজও এই অবাধ প্রকৃতির মাঝে বেঁচে আছে, কবি আজও তাই পাহাড়ে, উপত্যকায়, টেমস নদীতীরে, এলম বৃক্ষের তলায় বন্ধুকে খুঁজে ফেরেন। বন্ধুর প্রতি তাঁর এই অগাধ ভালোবাসার চিত্রটিই যেন অসাধারণ মহিমায় প্রকাশ পেয়েছে 'থাইরসিস' কবিতায়।
Dover Beach কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর 'Dover Beach' কবিতায় সমুদ্রের শান্ত নির্মল পরিবেশকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। তবে 'ডোভার বিচ' কবিতায় কবি সমুদ্রের শান্ত নির্মল, চন্দ্রলোকিত সমুদ্রতটের প্রাকৃতিক অসাধারণ সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে পুরোপুরি মেশাতে পারেননি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে কঠিন বাস্তবের আঘাত। বাস্তব জগতের সাথে তাঁর চিন্তা চেতনার জগতের বিরুদ্ধতা। সমুদ্র তটে বটে বসে জ্যোৎস্নালোকিত সমুদ্রের সৌন্দর্য অবলোকন করতে গিয়ে তাঁর মাঝে বার বার কঠিন জীবন যাত্রা, এবং বাস্তবের রূঢ় দিকগুলো হানা দিয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছেন, কোথাও নির্মল আনন্দ আর শান্তি নেই, কোথাও তিনি শুনতে পান না অভয় বাণী, দেখতে পান না আশার আলো। পুরো পৃথিবীটা যেন ছেয়ে গেছে গভীর অন্ধকারে, আর এই অন্ধকারেই হানাহানি চলছে মানুষের, যে কারণে আমরা তাঁর এ কবিতায় সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের মাঝেও হতাশার সুর লক্ষ্য করি।
The Scholar Gypsy কবিতার সারসংক্ষেপ :
বিখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর "The Scholar Gypsy" কবিতায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত এক শিকক্ষার্থীর হঠাৎ করেই যাযাবর জিপসীদের দলে গিয়ে ভিড়ে যাওয়ার দিকটি তুলে ধরেছেন। আধুনিক জীবনযাত্রা ও শিক্ষা জগৎ ত্যাগ করে এই শিক্ষার্থী শেষে জিপসীদের সাথে মাঠে ঘুরেছে, মেষ পালক হিসেবে দেখা দিয়েছে, খেয়ানৌকার দড়ির স্তূপে তাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেছে কেউ কেউ। মোট কথা সে আধুনিক জীবন যাত্রা হতে সরে গিয়ে মুক্ত স্বাধীন জীবন যাপন করতে চেয়েছে প্রকৃতি কোলে। তার মাঝে প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসাও ছিল একেবারেই ক্ষীণ। এই যাযাবর জিপসী সর্বদা নিজেকে প্রকৃতির সাথে মেশাতে চেয়েছে, জ্ঞান আহরণ করতে চেয়েছে প্রকৃতি হতে। জিপসীদের কাছ থেকে সে গুরুমন্ত্র শিখছে এমন কথাও প্রচার হয়েছে সভ্য সমাজে। কবি ম্যাথু আর্নল্ড আসলে এখানে মানবের ভেতরের যে অন্তহীন অনন্ত তৃষ্ণ যা তাকে গৃহের বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে পারে যে, সে নিজেকে মেলাতে চায় প্রকৃতির মাঝে। কবি এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে মানবের অন্তস্থলে পালিত এক মুক্ত স্বাধীন চিন্তা চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
আধুনিকতার জ্ঞান তাকে মুক্তি না দিয়ে জড়িয়েছে বিশৃঙ্খলায়। যেখানে কবি তার জ্ঞান আহরণের সার্থকতা পান না। যার ফলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় চেতনার প্রকৃতির সুখ খোঁজার প্রয়াস চালিয়ে জিপসী বৃত্তি গ্রহণ করেছেন।
আর্নন্ডের কাব্যের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য :
'ডোভার বীচ' কবিতায় ডোভার সমুদ্রতীরের শান্ত সৌন্দর্য্যের পাথরের আঁখি ডুবিয়ে কবি তার সৌন্দর্যকে সম্ভোগ করতে পারেননি। কারণ বাস্তব অবস্থার সঙ্গে তাঁর বিরোধ। তিনি সমুদ্রতীরের সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করে উপলব্ধি করলেন জগতে কোথাও একটু ভালবাসা নেই, আলো নেই, শান্তি নেই, কষ্টের উপশমের ব্যবস্থা নেই। মনে হলো, জগৎ একটা অন্ধকারের রাজত্ব যেখানে প্রতিনিয়ত চলছে দুর্বোধ্য লড়াই ও সংগ্রাম। অনন্ধকারের মধ্যে চলছে অজ্ঞতার হানাহানি।
And we are here as on a darking plain
Swept with confused alarms of struggle and flight,
Where ignorant armies clash by night.
এসব সত্ত্বেও কোন আশার সুর নেই। তাঁর কাব্যে বা আশার কোন বলিষ্ঠ রূপরেখাও তিনি অংকন করতে পারেননি। সে জগৎ থেকে তিনি নিজেকে বড় বেশি গুটিয়ে নিয়েছেন। নিজেকে নিজেই একটি দ্বীপের মতো সৃষ্টি করেছেন। আর মনে করেছেন, যে সব মানুষই দ্বীপের মতো নিঃসঙ্গ, একাকী, "We mortal millions live alone."
আর্নল্ডের রচিত অনেকগুলি কবিতা শোকগাথা। এইসব কবিতায় আধুনিক সভ্যতার জীবনযন্ত্রণার দলিত চিত্তের ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে দুঃখ, বিষাদ ও বেদনায়। কবির মনে হয়েছে, জীবনটা কেনা-বেচার জন্যে বিশ্বের বাজার নয়, "It is not the world's market bought and sold." এই স্কুল কেনা-বেচা, চাওয়া-পাওয়ার জীবন থেকে কবি পালিয়ে যেতে চেয়েছেন প্রকৃতির রাজত্বে যেখানে পাহাড়গুলি এখনো সবুজ, শ্যামল বৃক্ষলতায় সজ্জিত হয়ে থাকে, যেখানে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা এখনো ছুটে যায় একটু নিশ্চিন্ত ভ্রমণের জন্য, নৈরাশ্য থেকে মুক্তি পাবার জন্য একমাত্র উপায় প্রকৃতির সান্নিধ্য, "Our trees yet crown the hill, our scholar travels yet the loved hill side. "প্রকৃতির প্রতি কবির আস্থা নেহাতই সাময়িক। বলিষ্ঠ আস্থা যদি থাকত তাহলে তাঁর প্রকৃতি প্রেমের স্রোতধারাটি ধীরে ধীরে নৈরাশ্যের মরণপথে হারা হয়ে যেত না। যতই তিনি বিশ্বের রাখাল হয়ে প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য লাভের বাসনার কথা বলুন না কেন তবু বৈরাগ্যকে তিনি চাপা দিতে পেরেছেন কি? তবু তাঁকে বলতে শোনা যায়, হে কুণ্ঠিতপথচারী, অন্ধকারাচচ্ছন্ন ইংল্যান্ড এসেছে এবং তার তীরভূমিতে রজ্জবদ্ধ পেটিকাগুলি খুলছে। তবু আরনন্ডের কবিতা ভালো লাগে। কারণ নৈরাশ্যের ঘনীভূত নির্যাস ছড়িয়ে আছে যেমন তেমনি নৈরাশ্যের বুক থেকে উঠে আসা তারুণ্যের আবেগ ও দীর্ঘশ্বাস, ব্যথা ও বেদনার সঘন প্রকাশ ঘটেছে সর্বত্র। কবিতা যদি হয় ভাবের কথা তাহলে ভাব একটা আছে বৈকি।

Leo Tolstoy (1828-1910)
Brief History: He (1828-1910) was a Russian writer who primarily wrote novels and short stories. Later in life, he also wrote plays and essays.
His well-known works:
- War and Peace (novel)
- Anna Karenina (novel)
- A Confession
Leo Tolstoy এর বিখ্যাত গ্রন্থ War and Peace এর সার-সংক্ষেপ
নেপোলিয়ন ইউরোপের অধিকাংশই জয় করে রাশিয়ার দিকে গেলে রাশিয়া তার প্রতিরক্ষার জন্যে তৈরি হলে Andrew ও Nicholas সে দলে যোগ দেয়। সন্তান জন্মের সময় স্ত্রী মারা গেলে Andrew দেশে ফিরে, আর Nicholas জুয়পার ঋণ নিয়ে দেশে এবং তাদের বন্ধু Picre আধ্যাত্মিকতার সন্ধানে স্ত্রী পরিত্যাগ করে ১৮১২ সালে নেপোলিয়ান রাশিয়া আক্রমণ করলে সে যুদ্ধে Andrew আহত হলে Nicholas তার বন্ধুর বোন Mary-কে বাঁচালে তার প্রেমে পরে বিয়ে করে। পরে যুদ্ধে Anwdrew মরার সময় Natasha'র প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে যদিও Picrre তাকে পরে বিয়ে করে এই দম্পতি পরিশেষে বেশ সুখে দিনাতিপাত করে।
রেজারেকশন: টলস্টয়ের এই উপন্যাসটি ধর্মীয় ভাবনার ফসল। এই উপন্যাসের কাহিনীটি টলষ্টয় এ. এফ কোনী নামে এক বিখ্যাত উকিলের কাছ থেকে শুনেছিলেন। ঘটনাটা হলো এই যে, চুরির দায়ে ধৃত একটি পতিতার বিচারের সময় একজন জুরি পতিতাকে চিনতে পারে কারণ একসময় ঐ জুরীটি ঐ মেয়েটিকে তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার জন্য প্রলোভিত করেছিল। তার ঐ কাজের জন্যই মেয়েটি পতিতা বৃত্তি অবলম্বন করতে বাধ্য হয়েছিল। যাই হোক জুরী যুবকটি অভিযুক্ত মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে এবং তাকে বিয়ে করবে বলে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তার সেই প্রস্তাব কার্যকরী হয় নি কারণ মেয়েটি জেলে মারা যায়। এই ঘটনার সঙ্গে টলস্টয়ের ঘটনার পার্থক্য হলো এই যে টলস্টয়ের নায়ক নেখলিয়ুডভ এর সঙ্গে শেষ পর্যন্ত কাতুসার মিলন ঘটে নি। কারণ কাতুসার মৃত্যু নয়, কাতুসার প্রত্যাখ্যান। কাতুসা আর নেখলিউডভের সঙ্গে সমাজগতভাবে একটা বিরাট পার্থক্য আছে কাতুসা বাড়ীর ঝি, আর নেখলিউডভ হলো বিশাল সম্পত্তির অধিকারী প্রিন্স। এই প্রিন্সদের কাতুসা কোনদিন বিশ্বাস করেনি। তার মনের কোণে এদের চরিত্র সমন্ধে যে অবিশ্বাস গভীরভাবে শিকড় নামিয়েছিল তা আর মন থেকে আদৌ উৎপাটিত হয় নি। তাই নেখলিযুডভ তার মুক্তির জন্য বা তার শাস্তি লাঘবের জন্য বা তার সুখ সুবিধার জন্য যা কিছু চেষ্টা করেছিল সেটাকে সে করুণা বা দয়া বলেই ভেবেছিল। এই জাতীয় মানুষের সে করুণাভিখারী হতে চায় নি। তাই সে বলেছিল। "I am comict, you are a prince." অর্থাৎ "আমি একজন পতিতা, আর তুমি হলে যুবরাজ”। এই দুই ব্যবধান ও পার্থক্যই কাতুসার হৃদয়ে নেখলিযুডভের সম্বন্ধে কোন ভালোবাসার ভিত রচনা করতে সাহায্য করে নি। বরং তাকে রূঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তার জীবনের এই পরিণতির জন্য সে দায়ী করেছিল নেখলিযুডভকে।
অন্যদিকে নেখলিযুডভ যে পাপের প্রায়শ্চিত করার জন্য কাতুসাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, শেষ পর্যন্ত কাতুসার প্রত্যাখ্যানের ফলে সে দুখোবরসদের ধর্মীয় নীতি অনুসরণ করে সন্ন্যাসী হয়ে গেল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Christina Rossetti (1830-1894)
- Christina Georgina Rossetti was an English poet
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত সংগ্রহ, ভূত বাজার ও অন্যান্য কবিতা (Goblin Market and Other Poems)
Poems:
- An Apple Gathering (An apple gathering appears to be an allegorical fable similar to Goblin Market.
- Dream Land
- Bride Soneg
- A Daughter of Eve
- My Dream
An Apple Gathering কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি ক্রিষ্টিনা রসেটি তাঁর "An Apple Gathering" কবিতায় তাঁর বিগত প্রেমিক আর হারানো ভালোবাসার তরে হতাশা আর বেদনার বাণী উচ্চারণ করেছেন। কবি বেদনার সাথে বলেন, তিনি তাঁর ভালোবাসার আপেল বৃক্ষ হতে কুঁড়িগুলো তুলে কেশে গুঁজেছিলেন, সদ্য ফোটা কুঁড়িগুলো আহরণ করার পরই বুঝতে পারলেন তাঁর আপেল বৃক্ষে নেই কোনো ফল। অর্থাৎ তাঁর প্রেম ঝরে গেছে অকালেই। কবি বললেন, তিনি যেমন উল্লাস ভরে বেণী দুলিয়ে এসেছিলেন প্রেমিকের কাছে, আবার হতাশ হয়ে ফিরে এলেন তার কাছ থেকে তাঁর এই প্রেমের ব্যর্থতা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করল প্রতিবেশীরা বাঁকা হাসি হাসল তাঁর বান্ধবীরা। তিনি ক্ষোভ আর বেদনার সাথে বললেন, তিনি তাঁর প্রেমিকের কাছে যা আশা করেছিলেন তা পেলেন না। অথচ তিনি তো সবই দিয়েছিলেন প্রেমিককে, বিনিময়ে এল হতাশার গ্লানি আর ব্যর্থতা, তাঁর আপেল বৃক্ষে পূর্ণরূপ পেল না আপেলগুলো, অপূর্ণ থেকে গেল তাঁর হৃদয়ের কামনা বাসনা। কবি অতীত স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মর্মবেদনায় ভুগেছেন। তিনি বেদনার্ত স্বরে বলেছেন, তিনি কী তাহলে ভুল পথে অগ্রসর হয়েছিলেন, মাটি থেকে অতি তুচ্ছ পাকা আপেল কুড়িয়ে নিলেন শেষ পর্যন্ত। মোট কথা, এ কবিতায় কবি তাঁর বিগত প্রেমের ব্যর্থতা, যে প্রেম তাঁকে করেছে হতাশ, সে প্রেমের স্মৃতিকে ধারণ করেই কবিতায় তাঁর প্রকাশ ঘটিয়েছেন।

Samuel Butler (1835-1902)
- তিনি একজন ব্রিটিশ লেখক
- তিনি মহাকাব্য (Iliad) & (odyssey) কে গদ্যরূপে (Prose) ব্যাখা করেন।
Notable works :
- Erewhom (এটি ব্যঙ্গাত্বক/ Satire Novel)
- The way of All flesh (এটি Semi autographical Novel )
Famous Quote:
- Life is not an exact science, it is an art.
- Self preservation is the first law nature.
- God was satisfied with his own work, and that is fatal.

Mark Twain
(November 30, 1835 – April 21, 1910)
Samuel Langhorne Clemens is better known by his pen name Mark Twain, was an American writer, entrepreneur, publisher and lecturer.
Famous Books :
a) The Adventures of Tom Sawyer (1876).
b) Adventures of Huckleberry Finn (1885).

Thomas Hardy (1840-1928)
(টমাস হার্ডি)
হার্ডির জন্ম দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ডর্চেস্টারে, ১৮৪০ সালে। তিনি উপন্যাসে এ স্থানটিকে ওয়েসেক্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি স্থাপত্যবিদ্যায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন।
১৯২৮ সালে এই বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি পরলোকগমন করেন। অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর দেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Thomas Hardy ছিলেন Victorian যুগের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ/বিখ্যাত উপন্যাসিক, কবি ও ছোটগল্পকার।
- তিনি Swinburn, Browning ও Darwin এদের লেখা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- এছাড়াও তিনি Darwin's Theory of Evolution (বিবর্তনবাদ) দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- তার লেখা উপন্যাসের মধ্যে Tess of the D'urberbilles অন্যতম।
- এছাড়াও তার বিখ্যাত একটি ছোট কবিতা হলো- "In time of the Breaking of Nations".
- Tess of the D'urberbilles উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- Tess, Alec, Sorrow etc.
- এই উপন্যাসের একটি বিখ্যাত লাইন হলো- The greater the sinner, the greater the saint.
- Tittle: Pessimist Novelist (হতাশাবাদী)
- তিনি Victorian যুগে Novel এবং Modern period এ poems এবং Short story লিখেছেন।
His major works are-
- The Poor Man and the lady. [1867] [It was not published and later, he destroyed the manuscript.
- Desperate Remedies (1872)
- Under the Greenwood Tree [1872]
- Far From the Madding Crowd [1874] [ফার ফ্রম দ্যা মেডিং ক্রাউড]
- The Return of the Native (1878]
- The Mayor of Caster bridge (1886)
- Tess of the D'urbervilles (1891)[টেস অব দ্যা ডি'আরবারবাইলস]
- Jude the Obscure, [1895] [জুড দ্যা অবসকিউর]
Thomas Hardy এর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার কৌশল :
দরিদ্র লোকটি Casterbridge এর Mayor এর কাছে Tess কে Return চাইল। পরবর্তীতে Poor man টি Tess নিয়ে Crowd থেকে অনেক দূরে চলে গেল।
i) দরিদ্র লোকটি = The Poor Man and the Lady (First Novel)
ii) Casterbridge এর Mayor = The Mayor of Casterbridge
iii) Tess = Tess of the D'Urberville
iv) Crowd থেকে দূরে = Far from the Madding Crowd
v) Return = The Return of the Native )
দ্য রিটার্ন অভ দ্য নেটিভ :
'দ্য লাস্ট ভিক্টোরিয়ান' হিসেবে খ্যাতিমান টমাস হার্ডি ছিলেন মনেপ্রাণে ভাববাদী। এ উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের এগডন হিথ নামক এক বিশাল বনাঞ্চল ঘেরা গ্রামকে ঘিরে। ডেমন ওয়াইলডিভ, ডিগোরি ভেন, মিসেস ইয়োব্রাইট, ইউস্টেশিয়া, টোমাসিন, ক্লাইম ইয়োব্রাইট এই সব চরিত্রের সাথে গ্রামের আরো সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে এগিয়ে চলে কাহিনী। মিসেস ইয়োব্রাইটের ভাতিজি টোমাসিনের সাথে বিয়ে স্থির হয় গ্রামের সরাইখানার মালিক চতুর ওয়াইলডিভের সাথে। কিন্তু আসলে সে ভালবাসে গ্রামের একমাত্র শিক্ষিতা যুবতী ইউস্টেশিয়াকে। এগডন হিথের একটি নিরিবিলি বাড়ি মিস্টোভার ন্যাপ, মালিক অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন ভাইয়ি, তাঁর সুন্দরী নাতনী ইউস্টেশিয়া ঐ এগডন হিথের শিক্ষিতা যুবতী, কিছুটা গর্বিতা আর অহংকারী। এগডন হিথের এই গ্রামাঞ্চল তার কাছে কারাগার মনে হয়। সে চায় কোন এক যুবা এসে তাকে বিয়ে করে নিয়ে যাবে প্যারিসের মত কোন বিলাসবহুল শহরে। এদিকে রিডলম্যান হিসেবে পরিচিত ডিগোরি ভেন মনে মনে ভালবাসে টোমাসিনকে।
মিসেস ইয়োব্রাইটের একমাত্র পুত্র ক্লাইম ইয়োব্রাইট ভাল চাকরী করে প্যারিসে। কিছুদিন হলো সে এসেছে বাড়িতে। গ্রামে ফিরেই সে গ্রামের সব যুবাদের একত্রিত করে নাটক মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা করেছে। ইউস্টেশিয়া জানতে পেরেছে প্যারিস হতে মিসেস ইউব্রাইটের পুত্র ক্লাইম এসেছে কিছুদিনের জন্য। এই ক্লাইমের মাঝে সে তার আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের স্বপ্ন দেখতে পেল। তার এখন একমাত্র ধ্যানজ্ঞান ক্লাইমের কাছাকাছি যাওয়া। সে পুরুষ সেজে নাটকে যোগ দিতে গিয়ে পরিচয় ঘটে ক্লাইমের সাথে, ক্লাইমও তাকে পছন্দ করে ফেলে, ফলে মিসেস ইয়োব্রাইট অর্থ্যাৎ তার মায়ের অসম্মতিতেই তাকে বিয়ে করে বসে।
গ্রামের লোকদের সাথে মেলামেশা না করার কারণে গ্রামের অশিক্ষিত লোকেরা মনে করত ইউস্টেশিয়া আসলে কোনো ডাইনি। ক্লাইমের মা এই বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নেয় না।
এদিকে ক্লাইম ইউস্টেশিয়ার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর আর প্যারিসে ফিরে যেতে চায় না, গ্রামে থেকে গ্রামের মানুষের জন্য বিদ্যালয় স্থাপন করে এখানেই শিক্ষকতা করে কাটাতে চায়। শেষে মায়ের সাথে অভিমান করে সে, বাড়ি থেকে সরে গিয়ে পাশের গাঁয়ে একটা ছোট বাড়ি ভাড়া নিয়ে ইউস্টেশিয়াকে নিয়ে বাস করতে থাকে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, দরিদ্রতা ঘিরে ধরে। এরই মাঝে আবার ওয়াইরডিভের সাথে টোমাসিনের বিয়ে হয়ে গেছে, তাদের ঘরে একটা কন্যা সম্মানও এসেছে।
ইউস্টেশিয়া ওয়াইলডিভের সাথে প্যারিসে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে, কারণ ওয়াইডিভের কাছে তখন অনেক টাকা, পারিবারিক সূত্রে তা পেয়েছে সে হঠাৎ করেই। ওয়াইডিভ আর ইউস্টেশিয়া দুজনে গ্রাম হতে সরে যাওয়ার পরিকল্পনা করে গোপনে।
এদিকে টোমাসিন সব বুঝতে পেয়েও খবর জানাল ক্লাইমকে, ক্লাইম বেরিয়ে পড়ল ইউস্টেশিয়ার সন্ধানে। ঝড়জলের মাঝে বাধের কাছে আসতেই ক্লাইমের সাথে দেখা হলো ওয়াইলডিভের। ক্লাইব জানতে চাইল ইউস্টেশিয়ার খবর। এমন সময় সেখানে জলের ঘূর্ণিপাক সেখানে ঝপ করে শব্দ হলো। শব্দ শুনে দুজনে দৌড়ে গিয়ে দেখে ইউস্টেশিয়া পড়ে গেছে ঘূর্ণিপাকের ভেতর। উদ্ধার করা হলো তিন জনকেই কিন্তু ইউস্টেশিয়া ওয়াইলডিভ মৃত, শুধু জীবিত আছে ক্লাইম। বাড়িতে এনে ওদের সমাহিত করা হলো।
টোমাসিন তার স্বামী ওয়াইলডিভের মৃত্যুতে একেবারে একা হয়ে গেল শিশু সন্তান নিয়ে। তাই সে বাধ্য হয়ে তার ভাই ক্লাইমের বাড়ি ব্লুমস এন্ডে আবার ফিরে এল।
এরই মাঝে সেই রিডলম্যান অর্থ্যাৎ ডিগোরি ভেন উত্তরাধিকার সূত্রে বিশাল বিশাল কয়েকটি খামারের মালিক হলো, নগদ অর্থ ও হাতে এল তার। সে এখন বড়ো মাপের ধনী। সে প্রস্তাব করল টোমাসিনকে বিয়ে করবে। টোমাসিনও রাজি হয়ে গেল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Gerard Manely Hopkins (1844-1889)
The Windhover কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি হপকিন্স তাঁর "The Windhover" কবিতায় বাজপাখির গতিবেগের সাথে মহান ক্রিস্টের অলৌকিক আলোকধারার তুলনা করার প্রয়াস পেয়েছেন। কবি বলেন, ঊর্ধ্বাকাশ হতে প্রচন্ড গতিতে বাজ পাখি নেমে আসে মাটিতে অশ্বারোহী এক নাইটের মতো বাতাস কেটে কেটে, বাজ পাখি মুকুটে শোভা পায় এক রাজকীয় সৌন্দর্য। কবি মনে করেন মহান খ্রিষ্টের সৌন্দর্যের আভা এর চাইতে কোটিগুণ গতিতে নেমে আসে পৃথিবীতে অসহায় সাধারণ মানুষদের আলোকিত করে, তাদের মনের সব মলিনতাকে নিমিষে দূর করে দেয় এই পবিত্র আলোকশিখা। অসহায় সাধারণ মানুষদের করে আলোকিত, তাদের মনের সব মলিনতাকে নিমিষে দূর করে দেয় এই পবিত্র আলোকশিখা। সীমাহীন অন্ধকারের মাঝে বাজপাখির মতো প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা এই আলোকশিখা যেন মূহূর্তে চারপাশ উদ্ভাসিত করে তোলে বাজপাখির অসাধারণ বর্ণবিভা নিয়ে ধেয়ে আসা বিষয়টিকে কবি রূপক হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এ রূপকের দ্বারা কবি মহান যিশুর পুণ্য আলোকধারার প্রকাশ ঘটাতে চেয়েছেন। কবি এখানে মহান যিশুর অলৌকিক আভা ঘোষণা করতে গিয়ে বাজপাখির গতিবেগকে আশ্রয় করেছেন। বাজপাখির গতির চাইতেও কোটি গুণ বেশি গতিতে যে যিশুর আলোকধারা নেমে আসে পৃথিবীতে মানুষকে পরিশুদ্ধ করতে সেদিক পানেই তিনি অঙ্গুলি নির্দেশ করেছেন।
Felix Randal কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি হপকিন্স তাঁর 'Felix Randal' কবিতায় একজন ঘোড়ার নাল প্রস্তুতকারী কামারের শারীরিক অবনতি লক্ষ্য করে এই কবিতাটি রচনা করেছেন। এই নাল প্রস্তুতকারী কামারের শারীরিক অবনতি লক্ষ্য করে এই কবিতাটি রচনা করেছেন। কবি এক সময় দেখেছেন এই নাল প্রস্তুতকারী কামার একদা ছিল সুস্থ সুঠাম, সবল স্বাস্থ্যের অধিকারী। কী কারণে যেন সে কামার অসুস্থ হলে কবি তার কাছে গিয়ে দেখতে পান এই সুঠাম পুরুষ অজ্ঞাত কারণে আজ জীর্ণ-শীর্ণ, বল শক্তিহীন। কবি তার এই অবস্থার সাথে নিজেকেও একান্ত করে অশ্রু সংবরণ করতে পারলেন না। কবি ভাবলেন একমাত্র মহান প্রভুর শরণ নিলেই আবার সুস্থ হবে সে। ধর্মীয় প্রার্থনা ক্রমে সুস্থ সবল করে তোলে কামারকে। কবি বলতে চান, শোক তাপ, দুঃখ বেদনা হতে মুক্তি লাভের একমাত্র উপায় মহান ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা। একমাত্র মহান ঈশ্বরই পারেন মানুষের সকল সমস্যা দূর করে দিতে। কবি বলেন, মহান যিশুর কাছে দয়া ভিক্ষা করলেই সবার তরে দয়া বিতরণ করেন তিনি, শোক তাপ দূর করতে পারেন একমাত্র তিনিই।
Spring and Full কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি হপকিন্স তাঁর 'Spring and Full' কবিতায় মানুষের জীবনের শেষ পরিণতির দিকটি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। কবি অবুঝ শিশু মার্গারেটকে সান্তনা দিতে গিয়ে জীবনের এই অমোঘ সত্যিটার প্রকাশ ঘটান। কবি এখানে পাতা ঝরার প্রতীকে মানুষের ফুরিয়ে যাওয়া, পৃথিবী হতে জীবন ঝরে যাওয়ার চিত্রটি তুলে ধরেন। বৃক্ষের পাতা যেমন কুঁড়ি হতে ক্রমে সবুজ প্রাণবন্ত পাতায় পরিণত হয় এবং শেষে হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে। মানুষও তেমনি পৃথিবীতে আসে শিশুরূপে, ক্রমে সে হয় যুবা এরপর পৌঢ়, শেষে বৃদ্ধের পরিশেষটা যেন ঠিক হলুদ পাতার মতোই। অবশেষে মানুষ শেষ পর্যায়ে এসে পৃথিবী হতে সরে যায়, যেমন গাছের সবুজ পাতা ক্রমে হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে। কবি এখানে মূলত মানবের পৃথিবীতে আসা এবং তার ক্রমিক পরিণতির চিত্রটিই তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। কারণ শিশু মার্গারেট গাছের পাতা ঝরা দেখে কান্না করছিল, কবি মার্গারেটকে এই বলে সান্তনা দেন যে শুধু পাতা নয় সব মানুষের শেষ পরিণতিটা এমনই হবে।
Pied Beauty কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি হপকিন্স তাঁর 'Pied Beauty' কবিতায় প্রকৃতিতে ঈশ্বরের বিচিত্র যে প্রকাশ এবং জগতে যে তাঁর মহিমার মহিময় প্রকাশ তাঁরই দিকে ঈঙ্গিত করেছেন। প্রকৃতির রূপরস আর নানা লীলা বৈচিত্র্যের মাঝে ঈশ্বরের বিচিত্র রূপে যে প্রকাশ ঘটে তারই বর্ণনা এই কবিতায়। আকাশে বিচিত্র রঙের পরশ, মেঘের খেলা; জলে মাছেদের সাঁতার, মাঠের অনুপম দৃশ্যাবলি, নদী জলে, সমুদ্রে পাল তোলা জাহাজের সারি, একটি থেকে আরেকটি কত না আলাদা রকম, আলাদা আলাদা বর্ণ আর রূপের প্রকাশ সে সবের মাঝে। কবি বলেন ঈশ্বরের মহিমায়, দ্রুতগতি ধীর হয়, মিষ্টি ক্রমে হয় টক, আর ঝলমলে উজ্জ্বল আভা ক্রমে কেমন নিষ্প্রভ আর মলিন হয়ে যায়, কিন্তু মহান প্রভুর অপার সৌন্দর্য কখনোই স্নান হয় না। এ কারণে কবি সর্বদা ঈশ্বরের প্রতি প্রার্থনা এবং তাঁর মহিমা গান করার পক্ষে কথা বলেছেন। মোট কথা কবি এখানে স্রষ্টার মহান রূপ বৈচিত্র্যের চিত্রটি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।

Robert Louis Stevenson (1850-1894)
মধ্যবিত্ত পিতামাতার সন্তান স্টিভেনসন স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে ১৮৫০ সালে ১৩ই নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। কেননা, তিনি সে সময়ে প্রায়ই উচ্চস্বরে 'Pilgrim's Progress' এবং 'The Old Testament' পড়ে শোনাতেন। বাবা ঠিক করেন স্টিভেনসন উকালতি পেশার পাশাপাশি সাহিত্য লেখা চালিয়ে যাবে। তার লেখা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হতে থাকে। এসময়ই তার চেয়ে দশ বছরের বড় এক আমেরিকান বিবাহিতা মহিলা Fanny Vandergrift Osbourne' এর সাথে দেখা হয় এবং পরে স্বামীর কাছ থেকে তালাকনামা পেলে স্টিভেনশনকে বিয়ে করেন। একদিন সন্ধ্যায় স্ত্রীর সাথে কথা বলার সময় মাথায় প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন এবং সাথে সাথে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। কয়েক ঘণ্টা পরেই সেরিব্রাল হেমোরোজে (Cerebral Hemmorauge) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত কারণে ১৮৯৪ সালের ৩ ডিসেম্বরে ৪৪ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
Treasure Island (1883) (উপন্যাস)
The Strange Case of Dr. Jekyll and Mr. Hyde-এ (1886)Kidna
pped (1886) (উপন্যাস)
The Master of Ballantrae (1889)
Pooks Hill
An Inland Voyage (প্রবন্ধ)

Oscar Wilde (1856 - 1900)
Oscar Fingal O' Flahertie Wills Wilde was an Irish writer and poet. After writing in different forms throughout the 1880s, he became one of London's most popular play wrights in the early 1890s. Today he is remembered for his epigrams, his novel the Picture of Dorian Gray, his plays, and the circumstances of his imprisonment and early death. In the latter half of the 20th Century he became a gay icon.
অস্কার ওয়াইল্ড (অক্টোবর ১৬, ১৮৫৪-নভেম্বর ৩০, ১৯০০) ছিলেন একজন আয়ারল্যান্ডীয় নাট্যকার, ঔপন্যাসিক এবং কবি। জন্ম আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে। তিনি অনেকগুলো ছোট গল্পও রচনা করেছেন। এছাড়া তিনি ছিলেন ফ্রিম্যাসন্স সোসাইটির সদস্য।

Sir Arthur Ignatius Conan Doyle (1859-1930)
He was a Scottish physician and writer who is most noted for his fictional stories about the detective Sherlock Holmes, which are generally considered milestones in the field of crime fiction.
His well-known works:
- Sherlock Holmes (novel)
- The Lost World (novel)

Maxim Gorky (1868-1936)
ম্যাক্সিম গোর্কি
- He is the Father of socialist realism (সমাজতান্ত্রিক বস্তুবাদ)
Novel:
- Mother (রুশ ভাষায়)
- My Childhood

Victor Hugo (1802-1885)
Novels :
Les Miserable
The Hunchback of Notre Dame (first novel)
Ninety- three
Poems:
Autumn Leaves
Songs of the Twilight,
Inner Voice
Rays and Shadows
Short Story :
Claude Gueux
Collection of poems: The Terrible Year, The Art of Being a Grandfather
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Ralph Waldo Emerson (May 25,1803-april 27, 1882)
- He was an American essayist, lecturer and poet.
- He led the transcendentalist movement of the mid-19th century
Famous book:
- The American scholar.

Nathaniel Hawthorne (1804-1864)
(নাথানিয়েল হর্থন)
তিনি একজন আমেরিকান Novelist তার রচনায় তীব্র ভাব বিলাসিতা (Dark Romanticism) প্রকাশ পেয়েছে।
Notable novels :
- The House of the Seven Galeles (Gothic) স্থাপত্য বিষয়ক Novel
- Twice- Told Tales.
- The Scarlet Letter.
স্কারলেট লেটার সারসংক্ষেপ: বোস্টন শহরের জেলখানার সামনে জমায়েত হয়েছে শত শত লোক। একসময় খুলে গেল জেলখানার সামনের দরজা। জেলখানা থেকে বেরিয়ে এল সুন্দরী এক যুবতী, কোলে যার তিন মাসের শিশু কন্যা। যুবতী এবার শিশু কন্যাকে বুকে ধরে আস্তে আস্তে জেলখানার সামনে স্থাপিত শান্তিমঞ্চে গিয়ে দণ্ডায়মান হলো।
যুবতীর নাম হেস্টার প্রিনি। তার অপরাধ সে অবৈধ সন্তান জন্ম দিয়েছে। ধর্ম ও সমাজের কাছে সে অপরাধী। এমন সময় জনতার মাঝে একটি অচেনা মুখ দেখা গেল, লোকটি একদা এশহরে ছিল। দীর্ঘ দিন সে রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে জঙ্গলে কাটিয়ে বর্তমানে শহরে ফিরেছে। উপস্থিত জনতার কাছ থেকে লোকটি সব জেনে নিল। লোকটি আসলে কেউ নয়, সে হেস্টারের প্রাক্তন স্বামী। বিচার শেষে গির্জার যাজক আর্থাও ডিমসলেট রায় প্রদান করলেন, পাপকর্মে চিহ্নস্বরূপ হেস্টার সর্বদা তার বক্ষদেশে একটি লাল বর্ণের A অক্ষর ধারণ করে থাকবে। হেস্টার তার কন্যাকে নিয়ে ঠাই নিল শহরের শেষ প্রান্তে একনির্জন কুঁড়েঘরে। যাজক ডিমসডেল কেন বেদনাভারে জর্জরিত, হেস্টারের প্রাক্তন স্বামী কেন যাজক ডিমসডেলের সাথে জরিয়ে গেল? শুরু হলো হেস্টার, ডিমসডেল আর হেস্টারের প্রাক্তন স্বামী চিলিংওয়ার্থেও সম্পর্কেও টানাপোড়েন। শেষে কী হলো হেস্টার আর তার কন্যার?

Herman Melville
Herman Melville (born Melvill; August 1, 1819 – September 28, 1891) was an American writer of the American Renaissance period.
- তিনি American Renaissance Period এর একজন Novelist, Poet ও Short Writer.
- তার সময়ের দ্রুত পরিবর্তনশীল American সমাজের প্রবণতা ও বিরোধ বর্ণনা করেছেন তাঁর লেখার মাধ্যমে।
Notable works :
- The Confidence Man
- White Jacket
- Typee
- Moby Dick (novel-about Whale)

Walt Whitman [1819-1892]
(ওয়াল্ট হুইটম্যান)
- American National Poet
ওয়াল্ট হুইটম্যান-কে বলা হয় গণতন্ত্রের কবি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ডের একটি গরিব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দারিদ্র্যতা শৈশবে তিনি হারে হারে টের পেয়েছিলেন। তাকে বলা হয় গণতন্ত্রের কবি। মানুষের অধিকারের ব্যাপারে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সচেতন। তার সম্বন্ধে বলা হয়-If he had any love, it was America-the America of his dreams. নিম্নে তার সাহিত্যকর্মগুলো উল্লেখ করা হলো-
- Franklin Evans (1842)
- Leaves of Grass (1855)
- Drum-Taps (1865)
- Memoranda During the War
- Specimen Days
- Democratic Vistas (1871)
- Leaves of Grass তার সবচাইতে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো-
- O Captain! My Captain! এই কবিতাটি তিনি আব্রাহাম লিংকনের মৃত্যুতে প্রকাশ করেছিলেন। যেহেতু তিনি গণতন্ত্রের কবি ছিলেন তাই স্বভাবতই আব্রাহাম লিংকনের একজন অন্ধ ভক্ত ছিলেন। প্রিয় প্রেসিডেন্টর মৃত্যুতে তিনি শোকাহত ছিলেন গভীরভাবে।
- Crossing Brooklyn Ferry এই কবিতাতে তিনি অতীত, বর্তমান, এবং ভবিষ্যৎকে চমৎকারভাবে একসূত্রে আবদ্ধ করেছিলেন।
ও ক্যাপটিন, মাই ক্যাপটিন (O Captain, My Captain) সারাংশ :
আমেরিকার ত্রাতা, দাসপ্রথার বিলোপ কর্তা, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দাতা-আব্রাহাম লিঙ্কন আততায়ীর হাতে নিহত হলে, কবি হুইটম্যান শোকে বিহ্বল হয়ে, লিঙ্কনের স্মরণে কবিতাটি রচনা করেন। আমেরিকার ইতিহাসে আব্রাহাম লিংকনের যে বিশাল ভূমিকা, কবি তাকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে শুধু নেতা নয়, পিতা সম্বোধন করেন। কঠিন সংগ্রাম শেষে বিজয় ছিনিয়ে আনবার পর নেতার মহাপ্রয়ান কবিকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। কবিতাটির ছত্রে ছত্রে সে গভীর দুঃখেরই প্রকাশ।
হোয়েন লাইলাকস্ লাস্ট আই মাই ডোরইআর্ড ব্লুমেড্ When Lilacs Last at My Dooryard Bloomed সারাংশ:
প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের অপ্রার্থীত অকাল প্রয়াণে রচিত শোক গাঁথার কবি হুইটম্যান নিজ শোক বিহ্বলতা ছড়িয়ে দিয়েছেন; প্রকৃতিতে, তারায়, ফুলে, পাখির গানে আর প্রান্তরে। জীবনের চলমানতাকে তিনি অস্বীকার করেননি। দেশব্যাপী, জনগণের প্রিয় নেতা, আধুনিক আমেরিকার নির্মাতা, দাস প্রথা বিলোপের প্রতিষ্ঠাতা-আব্রাহাম লিংকনের মরদেহ বাহিত হবার সময়ও কবি জীবন ও মৃত্যুর শোভাযাত্রা দেখেছেন একই সাথে। মৃত্যু জীবনের গতিকে থমকে দিলেও থামিয়ে দেয় না সেকথা মেনে নিয়েছেন কবি সর্বাত্মকরণে। তাঁর ব্যক্তিগত দুঃখ বোধ সুগভীর হলেও কবি বাস্তবকে অস্বীকার করেননি। বারবারই বলেছেন জীবনের শত ব্যস্ততা, শত কোলাহলের মাঝেও সচেতন আমেরিকাবাসী কোনোদিনই তাদের নেতাকে ভুলে যাবে না। শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায় তাদের মুক্তির দূত আব্রাহাম লিংকনকে আমেরিকাবাসী চিরকাল মনে রাখবে কবির মতো করে, কবি সে আশা পোষণ করেন দৃঢ় মনে।
ক্রসিং ব্রুকলিং ফেরি সারাংশ:
Walt Whitman তাঁর 'Crossing Brooklyn Ferry'- কবিতাটিতে পানি ও স্থলভাগের প্রতীকী উপস্থাপনা দ্বারা এই বিশ্বজগতের দ্বিতত্ত্ববাদ (Dualism) ফুটিয়ে তুলেছেন। এই কবিতাটির মূল চিত্রকল্প হচ্ছে ফেরি যা স্থান ও সময়ের সার্বজনীন গতির প্রতীক এবং যা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের আরোহণকারী সকল নারী-পুরুষের আত্মিক একতার প্রতীক।
কবিতার প্রথমেই কবি জোয়ার, মেঘ, সূর্য ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাদেরকে কবি মুখোমুখি প্রত্যক্ষ করছেন। সাধারণ পোশাকের নারী-পুরুষের ভিড় এবং নদী পারাপারের দৃশ্যগুলোর সাথে প্রাকৃতিক উপাদানগুলো মিশে কবির মনে এক আধ্যাত্মিক ভাবের সৃষ্টি হয়েছে।
দ্বিতীয় অংশে কবি এই বিশ্বজগৎকে সুবিন্যস্ত, সুগঠিত ও সুসংযুক্ত মহাপরিকল্পনা বলে উল্লেখ করেছেন যেখানে সবাই বিচ্ছিন্ন হয়েও সংযুক্ত। কবি নিজেকে জন্ম-জীবন-মৃত্যুর চিরন্তন প্রক্রিয়া ও বিপুল জনগোষ্ঠীর অংশ মনে করেন। হাজার বছর পরেও যারা নদীটি পার হবে তাদের সাথে নিজেকে অভিন্ন ভাবতে চান এবং ব্রুকলিন ফেরির মাধ্যমেই এই সম্পর্ক স্থাপন করতে চান।
তৃতীয় অংশে কবি সময়, স্থান ও দূরত্বকে অতিক্রম করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট পৌঁছেছেন। নদীর উচ্ছল প্রবাহ, স্টিমারের মোটা নল, পূর্ণ বয়স্ক গাংচিল, ফেনিল জলরাশি, অর্ধবৃত্তাকার তরঙ্গমালা, ছোট বড় জাহাজ, চিমনির আগুন, নাবিকদের ব্যস্ততা, জাহাজের সাদা পাল ও নিশান, বজরা এই সবকিছু কবি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বলতে চান। এখানে প্রবল আকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে নিজেকে ভবিষ্যতকে প্রজন্মের কাছে উন্মোচিত করেছেন।
চতুর্থ ও পঞ্চম অংশে শহর, নদী ও মানুষের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার কথা বলেছেন। এখানে মন ও বস্তু দুটি ব্যাপারে কবির দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হয়েছে যদি কবি ব্রুকলিনকে ভালোবেসেই থাকেন তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাথে তার পার্থক্য কোথায়? ম্যানহাটানের রাস্তায় চলাচলের সময় অপ্রত্যাশিতভাবে এই প্রশ্নটি কবির মনে উদয় হয়। কারণ কবির মনোদৈহিক অস্তিত্বে পরিণত হয়েছে ব্রুকলিন ফেরিটি। যা সমস্ত মানবকুলের সাথে সঙ্গতি স্থাপন করেছে।
ষষ্ঠ অংশে কবি মানজীবনকে ভালোমন্দের সেই পুরাতন বন্ধন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ কবি যেমন মন্দের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন তেমনি ভালোর দ্বারাও প্রভাবিত হয়েছেন। তাই কবি বলেছেন, কেউ যেন মনে না করে যে সে একাই দোষী বা সে একাই শুধু মন্দ কাজ করে। সবারই মানতে হবে জীবন হচ্ছে বিশুদ্ধ ও দূষিত উপাদানের সমষ্টি।
সপ্তম অংশে কবি তাঁর পাঠককে আরো আপন হতে বলেছেন। কবি তার বর্তমান পাঠকের কথা যেমন চিন্তা করেন তেমনি ভবিষ্যৎ পাঠকের কথাও চিন্তা করেন। তাই কবি তাঁর ভবিষ্যৎ পাঠকের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যখনই তোমরা কবিতাটি পাঠ করবে তখনই আমি অদৃশ্য উপায়ে (চিন্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে) তোমাদের সামনে হাজির হব। অর্থাৎ কবি চিন্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ পাঠকের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
অষ্টম অংশে কবি নদীর উপর সূর্যাস্ত, গাংচিল, গোধূলি ও ম্যানহাটানের সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন এবং অনুধাবন করেছেন যে আগামী প্রজন্মের মানুষের সাথে তাঁর সম্পর্ক সূক্ষ্ম কিন্তু স্থায়ী। আর সম্পর্কটি হলো আধ্যাত্মিক যা কোনো সাধারণ ভাষায় বোঝানো যায় না কিংবা ধর্মোপদেশ দিয়ে শেখানো যায় না।
নবম অংশে কবি নদীকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করেছেন তাঁকে জোয়ারের সাথে ভাসিয়ে নেয়ার জন্য, মেঘকে অনুরোধ করেছেন তাঁকে ভিজিয়ে দেওয়ার জন্য এবং ম্যানহাটানকে বলেছেন দাঁড়িয়ে থাকতে। কবি সবকিছুকে যথাযথভাবে তাদের কাজ করতে বলেছেন। কারণ তারা সুবিন্যস্ত ও সুসংযুক্ত কর্মপরিকল্পনার অংশ। ব্রুকলিন ফেরিও তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন নয় বা হতে পারবে না কারণ সাধারণ মানুষ ব্রুকলিন ফেরিকে ভালোবেসে হৃদয়ে স্থায়ীভাবে গেঁথে রেখেছে। ছোটো বড়ো যে বস্তু দিয়েই ব্রুকলিন নিজেকে সজ্জিত করুন না কেন, তা অবিনশ্বর ও চিরন্তন। ভাষার চমৎকারিত্ব দিয়ে কবি কবিতাটিতে সম্মোহন সৃষ্টি করেছেন। কবির বর্ণনায় মানুষের দৈহিক অস্তিত্ব ব্রুকলিন ফেরির মতোই যা নশ্বর পৃথিবী থেকে অবিনশ্বরের দিকে ছুটে চলেছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Fyodor Dostoyevsky (1821-1881)
- তিনি রাশিয়ার লেখক ও দার্শনিক
Famous novels :
- Crime and Punishment
- The Idiot
- The Eternal
- A Little Hero
- The House of the Dead
- Notes from Underground
- Crime and Punishment গ্রন্থের theme হলো
"Crime never goes without punishment"
ক্রাইম এন্ড পানিশমেন্ট
এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো রাসকলনিকভ। একেবারে নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান।। তবে নিম্ন রুচির পরিবার ছিল না তাদের। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ তার হয়েছে। ফলে বিশ্বজগৎ সম্বন্ধে ধ্যানধারণা গড়ে উঠেছে, বিশেষ বিশেষ তত্ত্ব সম্বন্ধে ও তার জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। রাসকলনিকভ ছাত্র হিসাবে খুব নিম্ন মানের নয়। জানার আগ্রহ তার মধ্যে প্রবল এবং যা জেনেছে তাকে ছাপার আর কাগজে প্রকাশ করার আগ্রহ তার আছে। বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার একটা অদম্য আকাঙ্খা তার আছে, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ও সহানুভূতি তার মধ্যে প্রবল। মানুষের দুঃখে সে নিজেকে উজাড় করে দিতে পারে।
কিন্তু কি কারণে সে কুসীদজীবী রমণী এলিওনা আইভানোভনাকে হত্যা করলো তার কোনো সুনির্দিষ্ট যুক্তি লেখক উপস্থাপিত করতে পারেন নি। প্রথমত, রাসকলনিকভ কোন অর্থনৈতিক কারণে মহিলাকে খুন করেনি যদিও অর্থের অভাব তার যথেষ্ট ছিল। অর্থের অভাবে এমনকি তার পড়াশুনাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবু সে যে অর্থের অভাবে তা করেনি তা সে নিজেই স্বীকার করে বলেছে- “And money was not the main thing I need, Money when I killed, it was not so much money I needed as something else.....”
টাকার জন্য যে সে হত্যা করেনি এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কারণ হত্যা করার পরও সে বিশেষ কিছু টাকা চুরিও করেনি। দ্বিতীয়ত: সে একজন পাকা খুনী বা চোর নয়। কোন কিছুর জন্যে বা নিজের স্বার্থের উদ্দেশ্য নিয়ে সে চুরি করেনি বা খুন করেনি। সে যে কেন খুন করেছে তা সে নিজেও জানেনা। রাসকলনিকভ মনে করে খুন করাটা তার নেহাতই ক্ষণিকের একটি পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয়। সত্যিই সে যে কেন খুন করেছিল তা তার অনুশোচনামূলক বিবৃতি থেকেও প্রকাশ পায়নি। রাসকলনিকভের খুন করার পিছনে কোন অনিবার্য কারণ ছিল না। তবে লেখক স্বয়ং একটা যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। যে তত্ত্ব ও যুক্তির উপর নির্ভর করে তিনি তার নায়ককে দিয়ে খুন করাতে বাধ্য করেছেন, সে তত্ত্ব বা চুক্তি হলো এই যে নায়ক হলো আসলে নেপোলিয়নের ভাবাদর্শে দীক্ষিত একজন ব্যক্তি স্বাতন্ত্রবাদী। লেখকের মতে জনগণ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত, এক. সাধারণ, দুই. অসাধারণ। সাধারণ মানুষেরা অনুগত হয়ে বাস করে এবং অনুগত হতে ভালোবাসে। অসাধারণ মানুষ কোন নিয়মের অনুগত নয়। তারা নিয়ম ভেঙে নতুন কিছু নিয়ম সৃষ্টি করে। তারা পৃথিবীর শাসক। নেপোলিয়ন হলেন সেই জাতীয় অসাধারণ, ব্যক্তি স্বাতন্ত্রবাদের মূর্ত প্রতীক। আর রাসকলনিকভ হলো তারই একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ।
Dostyvosky এর বিখ্যাত গ্রন্থ Crime and Punishment এর সার-সংক্ষেপ :
সেন্ট পিটারসবুর্গের সাবেক ছাত্র Rodior Raskalnikov যে এক মহিলাকে টাকার জন্যে হত্যা করে তার মানসিক যন্ত্রণা ও নৈতিক সংকটের আলোকেই Crime and Punishment রচিত। খুনি Raskalnikov তার অপরাধের স্বপেক্ষে বলেন খুনের টাকা দিয়ে তিনি ভালো কাজ করতে পারবেন, তাই ঐ রকম নরকের কীটের মত বেঁচে থাকার কোন অর্থ নেই। তিনি নিজেকে নেপোলিয়নের সাথে তুলনা করে আরো বলেন, এই রকম করার অধিকার তার রয়েছে কেননা, তার মতে মহান উদ্দেশ্যের খাতিরে এই রকম খুন অনুমোদনযোগ্য।

Emily Dickinson (1830-1886)
ডিকিনসনের বিখ্যাত কবিতা :
I m nobody! Who are you? Because I could not stop for Death, I had no time to hate because, How happy I was if I could forget, Heaven is what I cannot reach !
I Taste a Liquor Never Brewed (আই টেইস্ট এ লিকার নেভার ব্রুড্) সারাংশ:
পৃথিবীকে অত্যন্ত নিরাসক্ত চোখে দেখছেন কবি। জীবনটা যেন সুরাসক্ত দৃষ্টিতে দেখা এক অস্তির আবাস। ক্ষণিক মুক্তির আশায় মানুষ তাই পানাসক্ত হয় এবং সে পানাসক্তির ঘোরেই থাকে আমরণ।
Wild Nights- Wild Nights (ওআইল্ড নাইটস্- ওআইল্ড নাইটস্) সারাংশ :
কবি এমিলি ডিকিন্সন প্রধানত মৃত্যুচিন্তার কবি। আজীবন নির্জনতাবাসী এমিলি মৃত্যুতেই মুক্তি খুঁজতেন। 'ভয়াল রাত' কবিতাটিও তার ব্যতিক্রম নয়। কল্পনার ভয়ার্ততার সাথে সন্ধি করে তিনি হয়তো বাঁচতে পারতেন কিন্তু তার চেয়ে মৃত্যুতেই মুক্তিকে শ্রেয় জ্ঞান করেছেন।
I felt a funeral in my Brain (আই ফেলট এ ফিউনারাল ইন মাই ব্রেইন) সারাংশ :
কবি এমিলি ডিকিন্সনের চেতনা জুড়ে মৃত্যু। সমগ্র চেতনা জুড়ে তাঁর মৃত্যু বা মৃত্যু চিন্তার আধিপত্য। বর্তমান কবিতাটি একটি মৃতদেহের সমাধিস্থ করার আনুপুঙ্খ বর্ণনা। খ্রিষ্টীয় রীতিতে যেমন করে মরদেহকে সমাহিত করা হয় তারই প্রতি ধাপ একে একে কবিতাটিতে বর্ণিত।
Because I could not stop death (বিকজ আই কুড নট স্টপ ফর ডেথ) সারাংশ :
কবি 'Because I could not stop Death'-কবিতাটিতে অপরিহার্য 'মৃত্যু'-কে সহজ ও স্বাভাবিকভাবে গ্রহণের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছেন। এই পৃথিবীতে মানুষ বিভিন্নরকম কাজকর্মে নিজেকে জড়িয়ে রাখলেও এক সময় মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মৃত্যুর মাধ্যমেই মানবজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তাই মৃত্যু যখন করুণা করে দরজায় উপস্থিত, তখন কবিও মৃত্যুকে খুবই সহজভাবে গ্রহণ করেছেন ও ধীরেসুস্থে জীবনকে মৃত্যুর হাতে সমর্পন করেন। সারা জীবনের কর্মভার পৃথিবীতে রেখে কবি চললেন মৃত্যুর সাথে- বিদ্যালয়, অস্তগামী সূর্য, খেলার মাঠ ও পরিচিত শস্য- শ্যামল মাঠের পাশ দিয়ে অমরত্বের দিকে। মৃত্যুর পর শতাব্দীর পর শতাব্দী কবির কাছে একটি দিনের চেয়েও ছোট মনে হয়েছে। মোটকথা, মৃত্যুকে সহজসরল ও স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার বিষয়টি এই কবিতায় অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more